কর্মব্যস্ততার সঙ্গে আমাদের মনের ওপরও প্রতিনিয়ত চাপ বাড়ছে। সফলতার ইঁদুর দৌড়ে আমরা যেন হাঁপিয়ে উঠছি, বিভিন্ন কারণে অস্থির থাকছে মন। কাজের চাপ আর ব্যক্তিগত জীবনের ঝড় সামাল দিতে সবার আগে দরকার মনকে শান্ত করা।
বিক্ষুব্ধ মনকে শান্ত করার পাশাপাশি মানসিক প্রশান্তি আনতে পারে ধ্যান বা মেডিটেশন। মেডিটেশনে আগ্রহী মানুষের সংখ্যা তাই দিনদিন বাড়ছে।
তবে এই মেডিটেশন করতে যে দূরে নির্জন স্থানে যেতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। বিশেষ কোনো মেডিটেশন কেন্দ্রে যাওয়ারও দরকার নেই। বরং মনকে শীতল অনুভূতি দিতে নিজের ঘরেই মনের মতো একটি কোণ সাজিয়ে নেওয়া যেতে পারে।
- ধ্যান করার জন্য একটি উপযুক্ত জায়গার দরকার। বাড়ির যে জায়গায় সবচেয়ে কম কোলাহল এবং বাইরের শব্দ তেমন পৌঁছায় না, সে রকম একটি জায়গা বাছুন। টেলিভিশন, ল্যান্ডফোন, কম্পিউটার ইত্যাদি আশপাশে না থাকলেই ভাল।
- ধ্যান করার স্থান যেন অপরিচ্ছন্ন এবং প্রচুর আসবাবে ঠাসা না হয়। জায়গাটি যত বেশি খোলামেলা হবে, তত বেশি মানসিক শান্তি পাবেন। মেঝেতে একটি কার্পেট বা শতরঞ্জি ও কয়েকটি ছোট কুশন রাখতে পারেন। ব্যায়াম বা ধ্যান হয়ে গেলে কার্পেট বা শতরঞ্জিটি চাইলে গুটিয়ে রাখতেও পারেন।

- গাছ ছাড়া অসম্পূর্ণ রয়ে যাবে মেডিটেশন কর্নার। বাতাসে তাজা ভাব আনার পাশাপাশি প্রকৃতির সঙ্গে সংযোগ অনুভব করতে সাহায্য করবে গাছ। দেওয়ালের তাকে কিছু বইও রাখা যেতে পারে।
- ধ্যান করার সময়ে উপযুক্ত পারিপার্শ্বিকতা তৈরি করা জরুরি। আশপাশে কী দেখছেন বা কী ধরনের শব্দ-গন্ধ আসছে সেটার উপরও নির্ভর করে ধ্যানের প্রতি মনোসংযোগ কতখানি গভীর হবে। ধ্যান করার উপযুক্ত কোনো মিউজিক চালাতে পারেন, এতে মনোযোগ বাড়বে। জ্বালাতে পারেন সুগন্ধি মোমবাতি বা ডিফিউজার।
মেডিটেশনের সময় পোশাকের দিকেও খেয়াল রাখা প্রয়োজন। এ সময় পোশাক হবে ঢিলেঢালা ও আরামদায়ক। চশমা, ঘড়ি ইত্যাদি খুলে নিতে হবে। মোবাইল ফোন অফ করে দেবেন বা সাইলেন্ট মোডে রাখবেন।


ঘুমের পাশাপাশি যে ৭ রকমের বিশ্রাম প্রয়োজন
কেন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে স্লিপ ট্যুরিজম
সূর্য ডোবার আগেই খাওয়া শেষ করার পরামর্শ মালাইকার 
