বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে যুক্ত হয়েছেন এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুমানা ইসলাম মুক্তি। পদটি শূন্য থাকায় তাঁকে মনোনীত করা হয়। গত রোববার সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের মিটিং শেষে সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর নতুন সদস্যেকে শপথ পড়ান। এ তথ্য জানিয়েছেন মিশা সওদাগর ও মুক্তি নিজে। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে কার্যনির্বাহী পরিষদের অন্যান্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
শপথ গ্রহণের পর এক প্রতিক্রিয়ায় মুক্তি বলেন, ‘সমিতির বাইরে থেকেও বিগত দিনে শিল্পীদের জন্য কাজ করেছি। এখন সমিতির সঙ্গে থেকে কাজ করার সুযোগ পেয়ে আমি আনন্দিত। এটি আমার কাজ আরও সহজ করবে। এই কমিটির সদস্যরা সবাই অসাধারণ। তাই গর্বিত মনে শপথ নিয়েছি।’
জানা গেছে, কার্যনির্বাহী সদস্য পদটি বেশ কিছুদিন ধরে শূন্য ছিল। চিত্রনায়িকা শাহনূর পরপর তিনটি বা তার বেশি মিটিংয়ে অনুপস্থিত থাকায় তাঁকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশের কোনো উত্তর না পাওয়ায় এবং সমিতির সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন থাকায় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী পদটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে চিত্রনায়িকা মুক্তিকে ওই পদে কো-অপ্ট করার সিদ্ধান্ত নেয় কার্যনির্বাহী পরিষদ।
এ বিষয়ে শিল্পী সমিতির সহ-সভাপতি ও মুখপাত্র ডি এ তায়েব বলেন, ‘শাহনূরের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে সমিতির যোগাযোগ ছিল না। নিয়ম অনুযায়ী তাঁকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু কোনো উত্তর না মেলায় গঠনতন্ত্র মোতাবেক পদটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। এরপর কার্যনির্বাহী পরিষদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে মুক্তিকে ওই পদে মনোনীত করা হয়েছে।’
খ্যাতিমান অভিনেত্রী আনোয়ারা বেগমের মেয়ে রুমানা ইসলাম মুক্তি। গৌতম ঘোষের ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ সিনেমায় চম্পার মেয়ের চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি বড় পর্দায় অভিষেক করেন। এরপর ‘চাঁদের আলো’, ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’ এবং চাষী নজরুল ইসলামের ‘হাসন রাজা’ সিনেমায় অভিনয় করেন। পারিবারিক কারণে সিনেমায় নিয়মিত হতে না পারলেও চলচ্চিত্র জগতের নানা আয়োজনে তিনি সক্রিয়।


সাইফের আক্রমণকারীকে ‘জাতীয় পর্যায়ের কুস্তিগীর’ বলে দাবি পুলিশের
