থাইল্যান্ডের জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্য হিসেবে সারা পৃথিবী থেকে মানুষ ছুটে আসে। গত ২৮ মার্চ মিয়ানমারের কাছে ৭.৭ মাত্রার এক ভয়াবহ ভূমিকম্পে কাঁপে থাইল্যান্ড। এই ভূমিকম্পের পর থাইল্যান্ডে কোথাও কোথাও বিধ্বংসী ক্ষতি হয়। বিশেষ করে ব্যাংককের একটি নির্মাণাধীন ভবন ধ্বংস হয়ে যায়। তবে এই পরিস্থিতির মধ্যে থাইল্যান্ডে ভ্রমণ কি এখনো নিরাপদ? এই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হলো সব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
ভূমিকম্পের ভয়াবহতা
মিয়ানমারের কাছাকাছি একটি ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে ২৮ মার্চ। এর ফলে ব্যাংককের একটি ৩৩ তলা নির্মাণাধীন স্কাইক্র্যাপার ধ্বংস হয়ে যায়। ব্যাংককের ডেপুটি গভর্নর তাভিদা কামোলভেজ জানিয়েছেন, ‘এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন, ১৬ জন আহত এবং ১০০ জনেরও বেশি মানুষ এখনও নিখোঁজ। উদ্ধারকর্মীরা ড্রোন এবং উদ্ধার কুকুর ব্যবহার করে জীবিতদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।’
এছাড়া ভূমিকম্পের তীব্রতা ব্যাংককের বিলাসবহুল হোটেলগুলিতেও অনুভূত হয়। যেখানে পানির পুল থেকে তীব্রভাবে পানি ছিটকে পড়তে দেখা যায়। হোটেলের অতিথিরা আতঙ্কিত হয়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন।
বিমানবন্দর এবং পরিবহন সেবা
ভূমিকম্পের প্রাথমিক পরবর্তী সময়ে ব্যাংকক ও অন্যান্য শহরে বিশৃঙ্খলা দেখা দিলেও, থাইল্যান্ডের বিমানবন্দরগুলো এখন পুরোদমে চালু রয়েছে। ব্যাংককের সুভর্ণভুমি এবং ডন মুয়াং বিমানবন্দরসহ দেশটির অন্যান্য প্রধান বিমানবন্দরগুলোতে নিরাপত্তা পরিদর্শন করা হয়েছে। এয়ারপোর্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২৯ মার্চ দুপুর ২:৩০ টা থেকে সব বিমানবন্দর স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরে এসেছে।
এছাড়া, ব্যাংককের মেট্রো এবং রেল পরিষেবাও পুনরায় চালু হয়েছে। ফলে যারা ইতিমধ্যে ভ্রমণের পরিকল্পনা করেছেন, তারা বিমান বা ট্রেনের মাধ্যমে সহজেই পৌঁছাতে পারবেন।
এখন কি থাইল্যান্ডে ভ্রমণ নিরাপদ?
আপনার যদি থাইল্যান্ডে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকে, তবে আপনার পুরোপুরি ভ্রমণ বাতিল করার প্রয়োজন নেই। বিমানবন্দর ও পরিবহন সেবা চলছে। বেশিরভাগ পর্যটন এলাকা নিরাপদ রয়েছে।
রইল কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ
স্থানীয় নিরাপত্তা পরামর্শ ও পরিস্থিতি সম্পর্কে সবসময় আপডেট থাকুন। ব্যাংককের নির্মাণ সাইট এবং ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলো এড়িয়ে চলুন। থাইল্যান্ড সরকার এবং আপনার দেশের দূতাবাসের নির্দেশিকা মেনে চলুন।
তথ্যসূত্র: টাইমস নাউ


ভ্রমণে সঙ্গে রাখুন এই পাঁচ গ্যাজেট
ভ্রমণের সময় সুস্থ থাকতে যা খাবেন 
