বাগেরহাটের রামপালে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৩ জনের মধ্যে মোংলা পৌর বিএনপির নেতা আবদুর রাজ্জাক ও তাঁর স্বজনেরা রয়েছেন। নিহত অন্যরা হলেন– আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে, মেয়ে, পুত্রবধূ, নাতি, নাতনি ও অন্যান্য স্বজন। এছাড়া তাদের গাড়ির চালকও নিহত হয়েছেন।
আবদুর রাজ্জাক মোংলা পৌর বিএনপির ৮ নং ওয়ার্ড শাখার সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন বাগেরহাট-৩ আসনের সংসদ সদস্য প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।
মোংলা পোর্ট পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি খোরশেদ আলম রাতে বলেন, ‘ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক তার ছেলে সাব্বিরকে খুলনা জেলার কয়রা উপজেলাতে বিয়ে দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে তিনি তাঁর পরিবারের ৭ জন ও কয়েকজন আত্মীয়কে নিয়ে একটি মাইক্রোবাসে কয়রা যান। সেখান থেকে ফেরার পথে বিকেলে এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে জেনেছি।’
বাগেরহাট-৩ আসনের সংসদ সদস্য প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম শোক বার্তায় বলেন, ‘বিএনপি নেতা আব্দুর রাজ্জাক ও তাঁর পরিবারের সাত সদস্যের অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করছি।’
এদিকে একসঙ্গে একই পরিবারের এতজনের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়। শোকস্তব্ধ স্বজন ও প্রতিবেশিরা।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় খুলনা-মোংলা মহাসড়কের বেলাই ব্রিজের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নৌবাহিনীর বাসটি মোংলা থেকে ছেড়ে এসেছিল। আর মাইক্রোবাসটি খুলনা থেকে মোংলায় যাচ্ছিল। বেলাই ব্রিজের কাছে দুই গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।



