দুর্ঘটনা নামক যুদ্ধের নামে আর কত অস্ত্র ও মৃত্যুর ব্যবসা?

আপডেট : ২৪ নভেম্বর ২০২৪, ১০:০২ পিএম

গত জুলাইয়ে ইরানে হামাসের শীর্ষ নেতাকে হত্যা করেছে ইসরায়েল, লেবাননে একের পর এক হামলা এবং হিজবুল্লাহর প্রত্যুত্তর দেওয়ার চেষ্টার সাথে রাশিয়ায় ইউক্রেন বাহিনীর অভিযান কিংবা দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের মহড়া ও তার প্রত্যুত্তরে ওই অঞ্চলে মার্কিন মিত্রদের পাল্টা মহড়া–এসব দেখলে বিদ্যমান যুদ্ধ আরও দীর্ঘ, এমনকি আরও বড় কোনো যুদ্ধের বাস্তবতা তৈরির আশঙ্কার জন্ম হয়। এই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও সমর বিশেষজ্ঞরা যেকোনো মুহূর্তে পা হড়কে বড় যুদ্ধের ঝুঁকিতে পড়ার বিষয়ে সতর্ক করে যাচ্ছেন। খেয়াল করার মতো শব্দটি হচ্ছে ‘পা হড়কে’। অর্থাৎ, তাঁরা বড় যুদ্ধের কারণ হিসেবে সামরিক দুর্ঘটনাকে সামনে আনতে চাইছেন। কিন্তু যুদ্ধ কি আদৌ কোনো সামরিক দুর্ঘটনা?

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের ভাষ্য হচ্ছে, গোটা বিশ্বে, বিশেষত মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও এশিয়ায় যেভাবে যুদ্ধ ও যুদ্ধের মহড়া চলছে, তাতে যেকোনো সময় এমন কিছু ঘটে যেতে পারে, যাতে করে নীতিপ্রণেতারা যুদ্ধ শুরুর মতো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ফাঁদে পড়তে পারেন। যদিও তাঁরা হয়তো যুদ্ধ এড়াতেই চেয়েছিলেন।

এই ভাষ্যটি কি পরিচিত লাগছে না? কী সরল! গত আগস্টেই অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে বলেছেন, পরিস্থিতি বড় যুদ্ধের ঝুঁকি তৈরি করছে, যেখানে হয়তো কারও কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকবে না। বলার অপেক্ষা রাখে না যে, এই ভাষ্যটিকেই ভরকেন্দ্র বিবেচনা করে পশ্চিমা বিশ্লেষকেরা যুদ্ধের বিপরীতে পশ্চিমের সুদৃঢ় অবস্থানের প্রচার চালাচ্ছেন।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও কূটনীতি সম্পর্কিত মার্কিন সাময়িকী ফরেন পলিসিতে গত ৮ অক্টোবর প্রকাশিত নিবন্ধে এই ‘দুর্ঘটনাবশত যুদ্ধের’ বিষয়টি নিয়েই আলোচনা করেছেন ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এমআইটি)-র রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সহযোগী অধ্যাপক এরিক লিন গ্রিনবার্গ।

গ্রিনবার্গ বলছেন, দুর্ঘটনাবশত যুদ্ধ হয় না–এমন নয়। ইতিহাসে এ ধরনের যুদ্ধের কিছু উদাহরণ পাওয়া যায়। তবে এর কোনোটাকেই আসলে বিবাদমান দুপক্ষের শান্তিপ্রিয়তার প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা যায় না। তিনি এ ক্ষেত্রে ১৯৬২ সালের কিউবান মিসাইল ক্রাইসিসের প্রসঙ্গ টানেন। স্নায়ুযুদ্ধের সে সময় সোভিয়েত বাহিনীএকটি মার্কিন গুপ্তচর বিমান ভূপাতিত করে। বিবদমান দুপক্ষ যুদ্ধের ময়দানের একেবারে কাছাকাছি এসে উপনীত হয়। কিন্তু সে পরিস্থিতিতে দুই মেরু নিজেদের মধ্যে উত্তেজনা কমানোর একটি পথ খুঁজে বের করে। এমন নয় যে, তারা স্নায়ুযুদ্ধের সমাপ্তি টেনে বেশ হাসি হাসি মুখে শান্তির বার্তা দিয়েছিল বিশ্বকে। বরং তারা নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা অক্ষুণ্ন রেখেও কীভাবে সীমা অতিক্রম না করে থাকা যায়, তার একটি পথের সন্ধান করেছিল। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজন সাবধানতা।

এই চূড়ান্ত সীমা বা রেডলাইন কোনটি হবে, তার অনেকটাই নির্ভর করে আসলে বিবদমান দুপক্ষের যুদ্ধপ্রিয়তার ওপর। যেমন এই গত জানুয়ারিতে ইরানের সহায়তাপুষ্ট ড্রোন হামলায় তিন মার্কিন সেনা নিহতের পরও ওয়াশিংটন‑তেহরান যুদ্ধে জড়ায়নি। গত এপ্রিলে ইসরায়েলে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরও দুই দেশ পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে জড়ায়নি। কিন্তু এখন এ নিয়ে বেশ আলোচনা হচ্ছে। বিশেষত লেবাননে ইসরায়েলের হামলা যত তীব্র হচ্ছে, কিংবা এই সেদিন ইরানে ইসরায়েল যেভাবে হামলা চালাল, তাতে এ দেশের অনেকেই একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ ইরান জড়িয়ে পড়েছে ভেবে সামাজিক মাধ্যমে আবেগ ঢেলে দিলেন। কেউ কেউ তো এমন কথা বললেন যে, এই দিনটির অপেক্ষায় তিনি নাকি অনেক দিন ছিলেন। ভাবার কারণ নেই যে, এমন ভাবাবেগ ছড়ানো ব্যক্তিরা যেনতেন কেউ। সাধারণ নয়, বরং অসাধারণ; অর্থাৎ, আন্তর্জাতিক রাজনীতি, কূটনীতি, বাণিজ্য, সংঘাত ইত্যাদি নিয়ে বেশ দীর্ঘদিন ধরে কাজ করা এবং এ নিয়ে বিশ্লেষক খেতাব পাওয়া কেউ কেউও রয়েছেন এ তালিকায়।

তাঁরা ইরানের যুদ্ধে জড়ানোকে ইসরায়েলকে শায়েস্তা করার একটা উপায় হিসেবে দেখেছেন। কিন্তু এড়িয়ে গেছেন মৃত্যু ও ধ্বংস। তাঁরা ভুলে গিয়েছিলেন যুদ্ধ বা ওয়ার খুব ছোট একটি শব্দ হলেও এক বিরাট ধ্বংসলীলা ধারণের মতো বড় হা তার রয়েছে। তাঁরা ভুলে গেছেন যে, ইসরায়েলের পেছনে যদি আমেরিকা থাকে, তো ইরানের পেছেনে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে রাশিয়া ও চীন থাকবেই। ফলে এ যুদ্ধ (পড়ুন সরাসরি যুদ্ধ) শুরু হলে, তা কোনো সংক্ষিপ্ত বা ছোট যুদ্ধ হিসেবে থাকা কঠিন হবে। আর এই ভূবনগ্রামে এমন যুদ্ধের ধকল আমাদেরও পোহাতে হবে। সেটা কীভাবে? সেবা ও পণ্যের অত্যধিক দাম চুকিয়ে। বাজারে নাকাল সাধারণ মানুষদের মুখের অভিব্যক্তি যদি ঠিকঠাক পড়া হতো, তাহলে ইরান‑ইসরায়েল কেন, কোনো যুদ্ধের উত্তেজনাই আর আমাদের ছুঁতে পারত না।

ইউক্রেনে হামলার চিত্র। ছবি: রয়টার্সযা হোক, গোটা বিশ্বে একটা যুদ্ধ যুদ্ধ ভাব বিরাজ করছে অনেক দিন ধরেই। আক্ষরিক অর্থেই যুদ্ধ চলছে কয়েকটি। একটি তো সিনিয়র যুদ্ধ। বলা হচ্ছে ইউক্রেন যুদ্ধের কথা। আরেকটি বয়সে ছোট হলেও এক বছর বয়স পার হয়ে গেছে। আর এই এক বছর বয়সী গাজা যুদ্ধ কিন্তু ধ্বংস ও মৃত্যুতে সিনিয়রকে ছাড়িয়ে গেছে অনেক আগেই। গাজায় আক্রান্ত ফিলিস্তিনিরা এতটাই মানবেতর জীবনযাপন করছে যে, চোখের সামনে থেকে ইয়েমেন, সিরিয়ার মতো দেশগুলোর অগণিত ক্ষুধার্ত ও বিপর্যস্ত মানুষ হারিয়ে গেছে।

অথচ গাজা যুদ্ধ এড়ানো সম্ভব ছিল। শুধু আমেরিকা এবং ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন পক্ষের সরব ও নীরব সমর্থন সরিয়ে নিলেই এত দিনে গাজায় শান্তি না আসুক অশান্তির দামামা একটু হলেও থামত। কিন্তু হলো উল্টো। গাজায় হামাস নির্মূলের নামে ইসরায়েলের পরিচালিত অভিযান ছড়িয়ে পড়ল চারপাশে। লেবানন, ইরান, ইয়েমেন–কী যুক্ত হয়নি?

গ্রিনবার্গ অবশ্য তাঁর নিবন্ধে বলছেন, পরাশক্তিগুলোর মধ্যে চলা নিরন্তর দ্বন্দ্বের জেরে যে জরুরি সামরিক সংকেত ব্যবস্থা চালু করা হয়, যা অনেকাংশেই নির্ভর করে প্রযুক্তির ওপর, সেখানে গড়বড় হলেই বেধে যেতে পারে গোল। স্নায়ুযুদ্ধের কালে বিশেষত সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন ও আমেরিকার নীতিপ্রণেতাদের মধ্যে এ নিয়ে বিস্তর শঙ্কা কাজ করত।

গ্রিনবার্গের এই বক্তব্য নিশ্চিতভাবে ঠিক আছে। যুদ্ধ তো দিনশেষে শঙ্কাই। যেকোনো পক্ষই তাই ‘দুর্ঘটনাবশত’ যুদ্ধ নিয়ে শঙ্কায় থাকবেন। কিন্তু একই সঙ্গে এই প্রশ্নও তোলা যেতে পারে যে, যখন তাবৎ সামরিক সরঞ্জাম ও বাহিনী সজাগ ও কোনো কোনো ক্ষেত্রে মোতায়েন রেখে বাণিজ্যসহ নানা পর্যায়ে দ্বৈরথে জড়াবে কেউ, তখন হুট করে যুদ্ধ বেধে গেলেই কি তাকে আর ‘দুর্ঘটনাবশত’ যুদ্ধ বলা যাবে? যুদ্ধের মূলে ক্রিয়া বা প্রতিক্রিয়ার চেয়েও সামরিকীকরণই কি বেশি কাজ করে না? বর্তমানে চীন ও আমেরিকার মধ্যে যে কৌশলগত দ্বন্দ্ব চলছে, সেখানে উভয় পক্ষই দক্ষিণ চীন সাগর, তাইওয়ানসহ নানা অঞ্চল ও কৌশলগত ক্ষেত্র ঘিরে প্রস্তুতি নিয়ে বসে আছে। চীন নিজে এবং আমেরিকা সংশ্লিষ্ট অঞ্চলগুলোতে নিজের মিত্রদের দিয়ে নিয়মিত মহড়া পরিচালনা করছে। কখনো নিজেও উপস্থিত হচ্ছে সামরিক মহড়ায়। ফলে বাণিজ্য দ্বৈরথ হোক বা ভূরাজনৈতিক দ্বন্দ্ব হোক–দুই পক্ষ যদি হঠাৎ করেই সম্মুখ সমরে জড়িয়ে পড়ে, তবে কি এটা বলা যাবে যে, অনিচ্ছার যুদ্ধে জড়ালো দুই দেশ। তেমনটা বললে এই এতগুলো বছরে তাদের যে সমরায়ণ, এত এত মহড়া, দাবার কোর্টে নিজ নিজ মিত্রদের সাথে মিলে এই এত যে চাল, তার সবগুলোকে কি দায়মুক্তি দেওয়া হলো না?

‘দুর্ঘটনাবশত যুদ্ধ’–এই ধারণা প্রচারকারী গবেষকেরা বলছেন, সাধারণত যুদ্ধের সময়টাতে বা যুদ্ধ শুরুর সময়টাতে নীতিপ্রণেতাদের কিছুই করার থাকে না। বিষয়টি চলে যায় সামরিক বাহিনীর হাতে। যুদ্ধ সামরিক নায়কদের ক্ষমতায়িত করে। এবং বেসামরিক প্রশাসনের ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। ফলে বেসামরিক প্রশাসন কখনোই চায় না যে, যুদ্ধ হোক।

এমন দাবিকারীদের প্রতি পাল্টা প্রশ্ন উঠবেই যে, তাহলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সোভিয়েত ইউনিয়ন ও আমেরিকার মধ্যে তো কয়েকটি সরাসরি যুদ্ধ হওয়ার কথা ছিল। কেন হয়নি? দুই দেশের সামরিক কর্তারা চাননি, নাকি বেসামরিক প্রশাসন চায়নি? সামরিক কর্তারা না চাইলে, প্রশ্ন আসে যে, তারা কেন নিজেদের ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ইচ্ছুক ছিলেন না? ক্ষমতার সমীকরণে উপস্থিত অস্ত্রধারী একটি বাহিনীর কর্তারা কেন সুযোগ থাকলেও নিজেদের ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে চাইবে না? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজলেই বোঝা যাবে যে, যুদ্ধের পেছনে বেসামরিক লোকেরা যুক্ত থাকে না–এমন ধারণা ছড়ানো আসলে তাদের দায়মুক্তি দেওয়ারই সামিল। দুটি গোষ্ঠী যুদ্ধে জড়ানোর আগে দ্বন্দ্বের বহু পর্যায় পার হতে হয়। এই পর্যায়গুলোর মধ্যেই সামরিক ও বেসামরিক উভয় অংশের মধ্যে যুদ্ধমুখী প্রবণতা তৈরি হয়। ফলে সে অর্থে ‘দুর্ঘটনাবশত যুদ্ধ’ ধারণাটি আসলে একটা দায়মুক্তির প্রয়াস। এ ধরনের ধারণা সাধারণত যুদ্ধের মাঠ যত প্রস্তুত হয়, যত শঙ্কা বাড়ে, ততই ছড়াতে থাকে।

গ্রিনবার্গ অবশ্য যাবতীয় আলোচনার শেষে এই সিদ্ধান্তে ঠিকই এসেছেন যে, আর যাই হোক, যুদ্ধ কোনো দুর্ঘটনা নয়। কিন্তু পুরো লেখায় বেসামরিক প্রশাসনকে কৌশলে একটু দায়মুক্তিও তিনি দিয়েছেন। এ ক্ষেত্রে প্রশ্ন হলো এই সময়ে ফরেন পলিসির মতো সাময়িকী এ ধারণা সমৃদ্ধ নিবন্ধ ছাপছে? এর কারণ কি এই যে, চীন‑আমেরিকা‑রাশিয়া বৃহত্তর যুদ্ধের যে শঙ্কা অনেকদিন ধরে করা হচ্ছিল, তার তীব্রতা বেড়েছে? যেকোনো পক্ষ সত্যি সত্যিই নীতিপ্রণেতা পর্যায়েই যুদ্ধের মতো বিপর্যয়কর প্রসঙ্গে বেশি ভাবতে শুরু করেছে? পক্ষটি কি চীন? পক্ষটি কি আমেরিকা? রাশিয়া তো ইউরোপে একটি যুদ্ধে জড়িয়েই আছে। তারপরও এই পক্ষটি কি রাশিয়া? কে আসলে? নাকি ইসরায়েলের মতো মিত্রদের ব্যবহার করে মধ্যপ্রাচ্য হয়ে এ যুদ্ধের বিস্তারের কারিগর ওয়াশিংটন? প্রশ্নগুলোর উত্তর যা‑ই হোক না কেন, শঙ্কাটা কিন্তু বাস্তব। ‘দুর্ঘটনাবশত যুদ্ধ’ শব্দবন্ধ শুধু বেসামরিক প্রশাসনকেই নয়, যুদ্ধরত পক্ষগুলোর সবাইকেই দায়মুক্তি দিয়ে বসে। ফলে মৃত্যু ও বিপর্যয়ের জন্য আর কাউকে অভিযুক্ত করা যায় না। যে যার মতো আলাদা আলাদা বর্গে বসে পরস্পরকে বা নিজের মনের মতো প্রতিপক্ষকে দায় দেবে। যুদ্ধের দায় নিয়েও থাকবে বিভাজন। এর মধ্যেই চলবে দারুণ অস্ত্র ও মৃত্যুর ব্যবসা।

কয়েক সপ্তাহের নাটকীয়তার পরেও নিজেদের দূরত্ব দূর করতে পারেনি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। এমনকি যুদ্ধ বন্ধে সমঝোতার মাঝেও দুই দফা হামলা-পাল্টা হামলায় জড়িয়েছে তারা। এমন পরিস্থিতিতে বিশ্লেষকেরা বলছেন,...
তিন মাসের বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতের পর শান্তি চুক্তি করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। যুদ্ধের শুরুতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা ধ্বংস, পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণ এবং আঞ্চলিক প্রভাব কমানোর...
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করতে প্রাথমিক চুক্তি সই হয়েছে। শুক্রবার থেকেই খুলছে হরমুজ প্রণালি। আর এতেই ওলটপালট হয়ে গেছে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি। বড় ধাক্কা...
ইরান ঘিরে কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যেই আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মধ্যপ্রাচ্য। ট্রাম্পের সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে লেবাননে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল। এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, লেবাননে এই হামলার প্রকৃত...
বিশ্বকাপ ফুটবল মানেই টানটান উত্তেজনা, শেষ মুহূর্তের নাটক, আর কোটি ভক্তের স্বপ্নপূরণ। কিন্তু এর উল্টো পিঠটাও বড্ড নিষ্ঠুর। সেমিফাইনালের মহারণ শেষে আজ রাত ৩টায় আমেরিকার মায়ামিতে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী...
বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হওয়ার আগে ফ্রান্স কোচ দিদিয়ের দেশম স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এই ম্যাচ খেলতে তাদের তেমন কোনো আগ্রহ নেই। তবে জাতীয় দলের দায়িত্বের...
গত বছরের ২৭ মে তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনকে গ্রেপ্তার করে সেনাবাহিনী। আরও গ্রেপ্তার হয় তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী মোল্লা মাসুদ, শ্যুটার আরাফাত ও শরীফ। ২৪ এর ৫ আগস্টের পর একের পর এক হত্যাকাণ্ডে...
আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ এবং পর্যায়ক্রমে সারা দেশে আন্তর্জাতিক মানের ১০টি স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী...
লোডিং...
পঠিতনির্বাচিত

এলাকার খবর