চট্টগ্রামের চান্দগাঁও, বাকলিয়া এলাকায় দেখা দিয়েছে তীব্র পানি সংকট। মাঝেমধ্যে যে পানি পাওয়া যায় তাও ময়লা ও দুর্গন্ধযুক্ত বলে অভিযোগ করছেন বাসিন্দারা। নাগরিক অধিকার নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (ক্যাব) বলছে, এখনও দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের কারণে গ্রাহকের দুর্ভোগ যাচ্ছে না। আর ওয়াসা বলছে, সমস্যা সমাধানে একটি প্রকল্প চলমান রয়েছে।
গত বছর ওয়াসার পানিতে লবণাক্ততা বেড়ে যাওয়ায় তা পানের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। সেই সমস্যা দূর হলেও এখন দেখা দিয়েছে সুপেয় পানির সংকট। পানির জন্য হাহাকার চলছে চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁও, বাকলিয়া, রাহাত্তারপুল, ডিসি রোড, এককিলোমিটার, কালামিয়াবাজার, মিয়াখান নগরসহ অনেক এলাকায়।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, পানি সংকটে থমকে গেছে গৃহস্থালীর কাজসহ দৈনন্দিন নানা কাজকর্ম। বিষয়টি ওয়াসাকে একাধিকবার চিঠি দিয়ে জানিয়েও সুফল মেলেনি।
ক্যাবের সহ-সভাপতি এম এ নাজের হোসাইন বলেন, সুপেয় পানি গ্রাহককে দিতে না পারা দুঃখজনক। এ জন্য ওয়াসার নানা পর্যায়ে বসে থাকা অসাধু কর্মকর্তারা এবং তাঁদের দুর্নীতি দায়ী।
তবে পানিতে ময়লার বিষয় মানতে নারাজ চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী মাকসুদ আলম। তিনি বলেন, আশপাশের টিউবওয়েলের আয়রন থেকে এ সমস্যা হতে পারে। তবে সংকট সমাধানে নতুন প্রকল্প চলমান রয়েছে।
চট্টগ্রাম নগরীতে দৈনিক পানির চাহিদা ৫৮ কোটি লিটার। এর বিপরীতে ৪৭ থেকে ৪৮ কোটি লিটার পানি সরবরাহ করে ওয়াসা।



