ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ৬টি সংসদীয় আসনের ৫টিতেই বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি ও তাঁদের জোট সমর্থিত প্রার্থীরা। একটি আসনে জয়লাভ করেছেন বিএনপি’র বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনে বিএনপি'র এম এ হান্নান জয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৬৮ হাজার ৯২ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দী স্বতন্ত্র প্রার্থী ঘোড়া প্রতীকের এ কে এম কামরুজ্জামান পেয়েছেন ৩৫ হাজার ২২০ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ ও বিজয়নগর আংশিক) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হাঁস প্রতীকের ব্যারিষ্টার রুমিন ফারহানা ১ লাখ ১৮ হাজার ৫৪৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোট সমর্থিত জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের খেজুর গাছ প্রতীকের জুনায়েদ আল হাবিব পেয়েছেন ৮০ হাজার ৪৩৪ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগর) আসনে বিএনপি'র প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল ২ লাখ ৯ হাজার ৬৩৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। এ আসনে দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শাপলাকুড়ি প্রতীকের আতাউল্লাহ। তিনি পেয়েছেন ৬২৫৪৭ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনে বিএনপি'র মুশফিকুর রহমান ১ লাখ ৩৯ হাজার ৮৪২ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তাঁর নিকটতম বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো: আতাউর রহমান সরকার পেয়েছেন ৯১ হাজার ৭৯৬ ভোট।
জেলার ভোটের ময়দানে সবচেয়ে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের দেখা মিলেছে নবীনগর উপজেলা নিয়ে গঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনে। এখানে ৮৫ হাজার ৭৬৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন বিএনপি'র আবদুল মান্নান। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী নাজমুল হোসেন তাপস পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৭০৮ ভোট।
অর্থাৎ, মাত্র ১ হাজার ৬১ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী, গনসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি ৯৫ হাজার ৩৪২ ভোট পেয়ে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। এ আসনে তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো: মহসীন পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৯৭৬ ভোট।



