চট্টগ্রাম বন্দরে টানা বৃষ্টিতে বিভিন্ন ইয়ার্ডে পানি প্রবেশ করেছে। বিশেষ করে জোয়ারের সময় পানি জমে থাকায় কন্টেইনারে থাকা পণ্য নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এদিকে, টানা বৃষ্টির কারণে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। বহির্নোঙরে পণ্য খালাসও ব্যাহত হচ্ছে।
বুধবার রাত থেকে ইয়ার্ডে সারি সারি করে রাখা কনটেইনারের নিচের স্তরে পানি ঢুকে আমদানি পণ্য নষ্ট হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়। বৃহস্পতিবারও পানি প্রবেশ করে। তবে জোয়ারের সময় পানি বেশি থাকছে।
পানির কারণে গত দুদিন ধরে কাস্টমস কর্তৃপক্ষও স্বাভাবিক কাজ করতে পারছে না। অর্থাৎ আমদানি পণ্যের পরীক্ষা-নিরীক্ষা বা শুল্কায়ন কার্যক্রম চালাতে পারছে না।
বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, বন্দরের বহির্নোঙরে থাকা ৫০টি মাদার ভেসেল থেকে পণ্য খালাস বা লাইটারিং ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। সাগর উত্তাল থাকা এবং বৃষ্টির কারণে লাইটার জাহাজ বহির্নোঙরে যেতে সমস্যায় পড়ায় এই সংকট।
চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব সৈয়দ রেফায়েত আমিন জানান, কিছুটা সমস্যা হলেও এখনো বন্দরের কার্যক্রম সচল আছে। জোয়ারের সময় ইয়ার্ডে পানি ঢুকে কিছুটা ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে কার্যক্রমে।
চট্টগ্রাম চেম্বার ও ব্যবসায়ীদের সূত্র জানিয়েছে, বহির্নোঙরে প্রতিদিন ৫ লাখ টন পণ্য খালাস হয়।



