খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় মাত্র তিন ঘণ্টায় ১০৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রের্কড করা হয়েছে। বিপৎসীমার ওপর দিয়ে বইছে মাইনী নদীর পানি। সড়ক ডুবে যাওয়ার পাঁচ ঘণ্টা পর দীঘিনালা-সাজেক সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
দীঘিনালায় শুক্রবার মধ্যরাতে হঠাৎ শুরু হয় ভারী বৃষ্টি। মাত্র কয়েক ঘণ্টার টানা বৃষ্টিতে বাড়তে থাকে মাইনী নদীসহ পাহাড়ি ছড়া ও খালের পানি। প্লাবিত হয় মেরুং, কবাখালী ও বোয়ালখালীর নিচু এলাকা। দীঘিনালা-মেরুং সড়কের ওপর দিয়েও পানি প্রবাহিত হয়। কোথাও কোথাও পানি ঢুকে পড়েছে বসতঘরেও। তলিয়েছে আমনের ক্ষেত ও গ্রীষ্মকালীন সবজির ফসলের মাঠ।
এদিকে ভারী বৃষ্টির সঙ্গে পাহাড় ধসে খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা সড়কের ৫ মাইল ও ৯ মাইল এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে সড়ক ও জনপথ বিভাগ মাটি সরিয়ে নেওয়ায় সাজেক যাওয়ার পথে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
খাগড়াছড়ি সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সৌম্য তালুকদার বলেন, ‘খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা সড়কের মাটি সরানো হয়েছে। মাটি সরাতে কিছুক্ষণ সময় লাগায় যান চলাচল বন্ধ ছিল।’
এদিকে বৃষ্টির কারণে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে অন্তত ৫০০ পরিবার। ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।



