চাঁদপুর শহরের এস কে শিল্পালয়ের স্বত্ত্বাধিকারী ও স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাস তার পরিবারসহ ১০ দিন ধরে লাপাত্তা। পরিবারের অন্য সদস্যরা হলেন—তার স্ত্রী রিমি দাস, বড় ছেলে প্রিয়ম দাস ও ছোট ছেলে রুপম দাস। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার বিকালে মার্কেটের ব্যবসায়ীরা জানান, গত ১০ দিন ধরে পিন্টু দাসের দোকান বন্ধ রয়েছে।
পিন্টু দাসের দূর সম্পর্কের আত্মীয় ও জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ছাত্র ঐক্য পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক উপমা দে জানান, পিন্টু দাসের বিভিন্ন এনজিও, সমিতি এবং স্থানীয় লোকজনের কাছে বড় অংকের ঋণ ছিল। বিভিন্ন স্থানে দোকান পরিবর্তন করে তিনি সর্বশেষ শহরের মদিনা মার্কেটের নিচতলায় এস কে শিল্পালয় নামে ব্যবসা পরিচালনা করতেন।
স্বর্ণ বন্ধক রেখে টাকা নেওয়ার ব্যবসায় পিন্টু দাস বিভিন্ন মানুষের স্বর্ণ ফেরত দিতে পারছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে।
উপমা দে আরও জানান, পিন্টু দাসের বাড়ি চট্টগ্রামে আর তার স্ত্রীর বাড়ি কুমিল্লায়। এর বেশি কিছু জানেন না তিনি।
এ বিষয়ে পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ মোহাম্মদ সুপার লুৎফর রহমান জানান, পিন্টু দাসের মোবাইল নম্বর ট্রেস করে ২০ আগস্টের পর থেকে তা বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। তিনি বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে ঋণ নিয়েছিলেন বলে তথ্য মিলেছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, ঋণের বোঝা থেকে বাঁচতে তিনি সপরিবারে আত্মগোপনে রয়েছেন। তাকে ট্রেস করার সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে।



