গাজীপুর সিটি করপোরেশনের টঙ্গীর বনমালা এলাকায় একটি বাড়ি থেকে ছেলে ও রেললাইনের পাশ থেকে বাবার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
আজ রোববার ভোরে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নিহতরা হলেন–টঙ্গীর বনমালা এলাকার বাসিন্দা মো. সোহেল হোসেন ও তাঁর ছোট ছেলে সাকিব হোসেন। সাকিব উত্তরা এলাকার একটি বেসরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিল।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোহেল হোসেন বাড়িতে দুই ছেলেকে নিয়ে তিনি বসবাস করতেন। শনিবার মধ্যরাতে নিজ ঘরে সাকিব হোসেনের মুখে কাপড় গুঁজে দেওয়া অবস্থায় মরদেহ পাওয়া যায়। সোহেল হোসেনের মরদেহ বনমালা রেললাইনের পাশে পড়ে ছিল। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ সোহেল হোসেনের বড় ছেলে মো. সোহানকে জিজ্ঞাসাবাদের হেফাজতে নিয়েছে।
স্থানীয়দের ধারণা, ঘুমন্ত ছেলেকে হত্যার পর ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে বাবা আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। তবে এ নিয়ে স্বজনদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, বনমালা এলাকায় নিজ ঘরে খুন হয়েছেন কলেজছাত্র সাকিব হোসেন। অন্যদিকে রেললাইনের পাশ থেকে তাঁর বাবার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহত সোহেল হোসেনের বড় ছেলে সোহানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলাসহ আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।



