রাজধানীর মিরপুরে কলেজছাত্র রাকিব ইসলাম হত্যার ঘটনায় মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসময় থেকে মুক্তিপণে নেওয়া ৪ লাখ টাকার মধ্যে ৫০ হাজার টাকা উদ্ধার হয়েছে।
বুধবার বিকেলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার মহিদুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
এতে বলা হয়, মুক্তপণের জন্য রাকিবকে আটকে রাখেন পূর্বপরিচিত মামুন। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে ঘাড়ে আঘাত পেয়ে রাকিবের মৃত্যু হয়। পরে মরদেহ কার্টুনে ঢুকিয়ে গ্রামের বাড়ি নীলফামারির ডিমলায় নিয়ে গিয়ে মাটির নিচে পুতে রাখেন মামুন।
সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়, গেল ১৬ সেপ্টেম্বর নিঁখোজ হন রাকিব। এ ঘটনায় কাফরুল থানায় জিডি করলে তদন্তে নামে পুলিশ। তদন্তে নেমে মামুন নামে ক্রিয়েটিভ আইটির এক শিক্ষার্থীর সম্পৃক্ততা খুঁজে পাওয়া যায়। পরে ৫ অক্টোবর তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের মিরপুর ডিভিশন।
জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, প্রথমে মামুন রাকিবের সঙ্গে ঘনিষ্ট সম্পর্ক গড়ে তোলেন। পরে মামুনের শুক্রাবাদের বাসায় ডেকে নিয়ে আটকিয়ে চাওয়া হয় ১৫ লাখ টাকার মুক্তিপণ। রাকিবের পরিবার মোবাইল ব্যাংকিংয়ে ৪ লাখ টাকা পাঠালেও মেলেনি মুক্তি। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে ঘাড়ে আঘাত পান রাকিব। সেখানেই মারা গেলে রাকিবের মরদেহ কার্টুনে ঢুকিয়ে গ্রামের বাড়ি নীলফামারির ডিমলায় নিয়ে গিয়ে মাটির নিচে পুতে রাখেন মামুন।
ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার মহিদুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় আর কেউ জড়িত কিনা সেটি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।


