নতুন করে পদ্মার পানি না বাড়লেও কুষ্টিয়ার দুই ইউনিয়নের মানুষ এখনও পানিবন্দী। ঘর-বাড়ির সঙ্গে তলিয়ে আছে চলাচলের রাস্তা ও বিপুল ফসলি জমি। এদিকে এখনও ত্রাণ সহায়তা না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন পানিবন্দী মানুষেরা।
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল হাই সিদ্দিকী জানান, প্রায় দশ দিন আগে পানি বাড়তে শুরু করে পদ্মায়। তলিয়ে যায় কুষ্টিয়ার নদীতীরের অনেক এলাকা। তবে এখন নতুন করে পানি না বাড়লেও পানিবন্দী সীমান্তবর্তী উপজেলা দৌলতপুরের চিলমারী ও রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের বেশিরভাগ এলাকা। দিন গড়ানোর সঙ্গে দুর্ভোগ বেড়েছে মানুষের। বিপদে আছে প্রাণীকূলও। এখনও হুমকির মুখে বেড়িবাঁধ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পানিবন্দী এলাকায় এখনও ত্রাণ সহায়তা পৌঁছেনি।
কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাশিদুর রহমান জানিয়েছেন, দৌলতপুর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ও চিলমারী ইউনিয়নের প্রায় ২০ হাজার পরিবারের অর্ধলক্ষ মানুষ এখনও পানিবন্দী। পানির কারণে ঝুঁকিপূর্ণ সব বাঁধ এলাকায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।



