এক বছর আগেই ২০০ শয্যাবিশিষ্ট খুলনা বিভাগীয় শিশু হাসপাতালের অবকাঠামো নির্মাণ শেষ হয়েছে। কিন্তু এখনও চালু হয়নি। নিরাপত্তার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না থাকায় বুঝে নিচ্ছে না সিভিল সার্জনের কার্যালয়। অপরদিকে গণপূর্ত অধিদপ্তর বলছে, প্রকল্পের আওতায় হাসপাতাল ব্যবহারের জন্য সব কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তবে বাজেট না থাকায় বাকি কাজ হচ্ছে না।
খুলনায় ২০০ শয্যার বিভাগীয় শিশু হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্প জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতের (একনেক) অনুমোদন পায় ২০১৭ সালে। প্রথম ধাপে ব্যয় ধরা হয় ১১৪ কোটি টাকা। ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত মেয়াদ হলেও নির্মাণ শেষ হয় পরের বছর জুনে। এর পর এক বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও সেই ভবন হস্তান্তর হয়নি।
খুলনা ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মো. মিজানুর রহমান বলছেন, সীমানা প্রাচীর, প্রধান গেট এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় হাসপাতালের ভবন বুঝে নিতে পারছেন না তাঁরা।
এদিকে গণপূর্ত অধিদপ্তর খুলনা-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী কামরুল হাসান বলছেন, প্রকল্পের আওতায় সব কাজই শেষ। ভবন হস্তান্তরের জন্য দেওয়া হয়েছে একাধিক চিঠিও।
স্থানীয়রা বলছেন, হাসপাতালটি চালু হলে খুলনা বিভাগের উপকূলীয় ১০ জেলাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শিশুরা উন্নত চিকিৎসা পাবে।
খুলনা নাগরিক সমাজের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট বাবুল হাওলাদার বলেন, হাসপাতালটির প্রথম ধাপের কাজ শেষ হওয়ার পরও চালু না হওয়া দুঃখজনক। সব জটিলতা কাটিয়ে সেখানে দ্রুত চিকিৎসা সেবা শুরু করতে হবে।



