চুয়াডাঙ্গার পাটক্ষেতগুলোতে দেখা দিয়েছে ব্যাপক হারে পোকার আক্রমণ। কীটনাশক প্রয়োগ করেও কৃষকরা প্রতিকার পাচ্ছেন না। ফলে একদিকে বাড়ছে উৎপাদন খরচ, অন্যদিকে শঙ্কা তৈরি হয়েছে ফলন নিয়ে।
চুয়াডাঙ্গা জেলার বিভিন্ন এলাকার প্রায় সব পাটক্ষেতেই দেখা দিয়েছে পোকার আক্রমণ। পোকা খেয়ে ফেলছে পাটগাছের কচি পাতা। ফসল রক্ষায় অতিরিক্ত কীটনাশক প্রয়োগ করতে হচ্ছে কৃষককে।
কৃষকদের অভিযোগ, কীটনাশক দিয়েও পোকা দমন করা যাচ্ছে না। ফলে একদিকে বাড়তি খরচের বোঝা বাড়ছে। অন্যদিকে কমে যাচ্ছে ফলন।
কৃষি বিভাগ জানায়, জেলায় এ বছর ৯ হাজার ১৩৫ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি। কৃষি কর্মকর্তারা জানালেন, আগাম চাষ করা ক্ষেতে পোকার আক্রমণ তুলনামূলক কম।
চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক কৃষ্ণ রায় বলেন, ‘জেলায় এ বছর ৯ হাজার ১৩৫ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। লক্ষমাত্রার চেয়ে পাটের আবাদ কিছুটা বেশি হয়েছে। ইতিমধ্যেই পাটগাছ বেড়ে উঠেছে। কোথাও কোথাও বেশ বড় হয়ে গেছে পাটগাছ। জেলার প্রায় সব গ্রামের পাট ক্ষেতেই দেখা দিয়েছে পোকার আক্রমণ। যেসব কৃষখ আগেভাগে পাটচাষ করেছিলেন সেসব ক্ষেতে রোগবালাই ও পোকার আক্রমণ কম।’
পোকার উপদ্রপ কমাতে জরুরি ভিত্তিতে সরকার কার্যকর ব্যবস্থা নেবে বলে প্রত্যাশা কৃষকদের।



