শেরপুরে দুই কোটি টাকার ক্ষতির মুখে পড়েছেন শতাধিক কৃষক। ১০০ একর জমিতে জলাবদ্ধতায় কলার বাগান নষ্ট হয়ে তাদের এই ক্ষতি হচ্ছে। জলাবদ্ধতার কারণ পানি নিষ্কাশন বন্ধ হওয়া। অভিযোগ আছে, জেলার শ্রীবরদীতে স্থানীয় এক ইউপি সদস্য ও তার বাবা ব্রিজ ও কালভার্টের মুখ বন্ধ করে বাড়িঘর নির্মাণ করেছে। আর এতেই তৈরি হয়েছে জলাবদ্ধতা।
অধিক লাভের আশায় শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার ভেলুয়া ইউনিয়নের বন্দ ধাতুয়া এলাকায় প্রায় ১০০ একর জমিতে কলার আবাদ করেছিলেন শতাধিক কৃষক। ঋণ নিয়ে গড়ে তোলা বাগানে ফলনও হয়েছিল ভালো।
কিন্তু শ্রীবরদী-ঝগড়ারচর সড়কের পাশে দুটি ব্রিজ ও একটি কালভার্টের মুখ বন্ধ করে বাড়িঘর নির্মাণ করায় বন্ধ হয়ে যায় পানির প্রবাহ। অভিযোগ আছে, স্থানীয় ইউপি সদস্য সারোয়ার ও তার পরিবার এজন্য দায়ী। কৃষকরা বলছেন, অতিবৃষ্টিতে জমে থাকা পানিতে পচে যাচ্ছে কলাগাছের গোড়া ও শিকড়।
নষ্ট কলাগাছ সরিয়ে অনেক কৃষক আমন রোপণের চেষ্টা করলেও জমিতে পানি জমে থাকায় তা করতে পারছেন না। তাই দ্রুত ব্রিজ-কালভার্টের মুখ খুলে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করার দাবি তাদের।
এদিকে, সংবাদ সংগ্রহে গেলে সাংবাদিকদের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় মেম্বার সারোয়ার হোসেনের লোকজনের বিরুদ্ধে।
শেরপুর শ্রীবরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনীষা আহমেদ বলেন, ‘পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নিতে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’
শেরপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রণোদনার মাধ্যমে সহযোগিতা করা হবে।’
দ্রুত জলাবদ্ধতা নিরসন, পানিপ্রবাহের প্রতিবন্ধকতা দূর করা এবং ক্ষতিপূরণের দাবি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের।



