বগুড়ায় যমুনা নদীর ভাঙনে ধুনটে হুমকির মুখে পড়েছে ব্রহ্মপুত্র ডান তীর রক্ষার মূল বাঁধ। বালির বস্তা ফেলে পানি উন্নয়ন বোর্ড ভাঙন রোধে চেষ্টা করলেও পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি, বলছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা। ৯ বছরে সারিয়াকান্দি, সোনাতলা ও ধুনটে অন্তত ১ হাজার হেক্টর জমি বিলীন হয়েছে যমুনায়। বাড়িঘর হারিয়েছেন কয়েকশ মানুষ।
গেল মাসের মাঝামাঝি ধুনট উপজেলার শওড়াবাড়ি নৌঘাট এলাকায় ভাঙন শুরু হলে যমুনায় বিলীন হয় বিপুল পরিমাণ আবাদি জমি। এখন নদী ভাঙছে বন্যা নিয়ন্ত্রণ মূল বাঁধ থেকে ৬০০ থেকে ৭০০ ফুটের মধ্যে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড বালি ভর্তি বস্তা আর টিউব নদীতে ফেলায় ভাঙনের তীব্রতা কিছুটা কমেছে। কিন্তু পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণের বাইরে। ডান তীর রক্ষায় ৯ বছর আগে নেয়া প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হলে স্থায়ীভাবে বন্ধ হবে ভাঙন, বলছেন কর্মকর্তারা।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের বগুড়া সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘স্থায়ীভাবে ভাঙন রোধে আমাদের একটি প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন আছে। প্রকল্পটি পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে আছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে আশা করি ভাঙন রোধ করা সম্ভব হবে।’
প্রস্তাবিত প্রকল্পের কাজ সময়মতো শুরু না করায় গেলো ৯ বছরে সারিয়াকান্দি, সোনাতরা ও ধুনটে অন্তত ১ হাজার হেক্টর জমি বিলীন হয়েছে যমুনায়। বাড়িঘর হারিয়েছে অন্তত সাড়ে ৫০০ পরিবার।
বাঁধটি রক্ষা করা সম্ভব না হলে বগুড়ার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা।



