ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষে চলছে গণনা। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে ১৮৫টি কেন্দ্রে একযোগে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ। চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পরে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আসনটি ছেড়ে দেয়ার কারণে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই উপনির্বাচন। নির্বাচন কেন্দ্র করে ভোটারদের মাঝে দেখা দিয়েছে উৎসাহ-উদ্দীপনা।
একই বছরে দ্বিতীয়বারের মতো জাতীয় সংসদের ভোট দিচ্ছেন ঠাকুরগাঁও-১ আসনের ভোটাররা। সকালে উপস্থিতি কিছুটা কম থাকলেও বেলা বাড়ার সাথে সাথে বেড়েছে ভোটারদের উপস্থিতি। ঝামেলা ছাড়াই লাইনে দাঁড়িয়ে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পেরে সন্তুষ্ট তারা।
এক নারী ভোটার বলেন, ‘ভোট দেওয়ার উদ্দেশ্যে ঢাকা থেকে এসেছি।’
আরেক নারী ভোট দিয়ে বের হয়ে বলেন, ‘আশা করছি, ভোটের এই সুষ্ঠু পরিবেশ সারাদিন বজায় থাকবে।’
নির্বাচনের পরিবেশের প্রশংসা করে সন্তোষ প্রকাশ করেন বিএনপি প্রার্থী।
ধানের শীষ প্রতীকে ভোটে লড়া বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমিন বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয় নিঃসন্দেহে উৎসবমুখর পরিবেশে এখানে ভোট হবে। আমি কোনো শঙ্কা দেখি না।’
অন্যদিকে নির্বাচনি পরিবেশ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন জামায়াত প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন।
দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোটে লড়া ১১ দলীয় ঐক্যজোট প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন বলেন, ‘যেহেতু দলীয় সরকারের অধীনে এই নির্বাচনটা হচ্ছে– এটা পুরোটাই নির্ভর করছে সরকার এবং নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা প্রশাসনের ওপরে। সরকার, প্রশাসন ও নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা সবাই মিলে আন্তরিক হন যে, একটা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন তারা উপহার দেবে তবেই সম্ভব।’
উপনির্বাচনে লড়াই করছেন ৫ প্রার্থী। যদিও মূল লড়াই বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীর মধ্যে হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে, সারাদেশের নজর থাকায় নির্বাচন নিয়ে সতর্ক প্রশাসন। প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। কড়া নিরাপত্তা দিচ্ছেন পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা।
ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন বলেন, ‘সব জায়গায় শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হচ্ছে।’
আসনটিতে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন।


