ঈদুল আজহা যতই ঘনিয়ে আসছে, সারা দেশে ততই জমে উঠছে কোরবানির পশুর হাট। এবার হাটগুলোতে ভারতীয় গরুর দাপট নেই বললেই চলে, বেশিরভাগ পশুই দেশি। গো-খাদ্যের দাম বাড়ায় বিক্রেতারা দাম কিছুটা বেশি চাইলেও, সাধ্যের মধ্যে মাঝারি আকারের গরু কিনতে বেশি আগ্রহী ক্রেতারা।
ঈদের দিন যত এগিয়ে আসছে, ক্রেতা-বিক্রেতার হাঁকডাকে ততই জমে উঠছে পশুর হাটগুলো। প্রান্তিক খামারি থেকে শুরু করে পাইকার ও ক্রেতাদের পদচারণায় জমজমাট হাট। এবার দেশি, সিন্ধি, শাহিওয়াল ও শংকর জাতের পশু বেশি।
ফরিদপুর ও ফেনীর হাটগুলোতে অতিরিক্ত খাজনা ও হাসিল নেয়ার অভিযোগ ক্রেতাদের। খামারিরা বলছেন, গো-খাদ্যের দাম ও লালন-পালন খরচ বাড়ায় পশুর দাম কিছুটা বেশি।
এক বিক্রেতা বলেন, হাসিলটা অনেক বেশি এই জন্য অনেকে বাইরে থেকে গরু কেনার জন্য আগ্রহী হচ্ছে।
এক ক্রেতা বলেন, ব্যবসায়ীরা এখনও গরু ছাড়ছে না, দাম বেশি চাচ্ছে। ক্রেতা যথেষ্ট থাকলেও কেনাবেচা কম হচ্ছে।
সীমান্তে পাচার ঠেকানোয় এবার জয়পুরহাট ও নওগাঁর হাটে ভারতীয় গরুর দাপট নেই বললেই চলে। ৭০ হাজার থেকে দেড় লাখ টাকার মাঝারি দেশি গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি।
সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে লালন-পালন করায় সমতলের হাটে খাগড়াছড়ির পাহাড়ি পশুর চাহিদা ব্যাপক। বাগেরহাটের ২৯ হাটে পশুর সরবরাহ উদ্বৃত্ত থাকলেও, বেচাকেনা জমেনি। লালমনিরহাটের হাটেও ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়।
বাগেরহাট জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ ছাহেব আলী বলেন, ‘এইবার কোরবানি উপলক্ষে জেলায় ২৯টি জায়গায় হাট বসেছে। এর মধ্যে ১৭টি স্থায়ী হাট এবং ১২টা অস্থায়ী হাট। প্রতিটি হাটে আমাদের ভ্যাটেনারি টিম রয়েছে।’
জাল টাকা শনাক্ত, অজ্ঞান পার্টির তৎপরতা রোধ ও সার্বিক নিরাপত্তায় তৎপর পুলিশ। রোগাক্রান্ত পশু শনাক্তে সক্রিয় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের বিশেষ টিম।
এবার প্রায় প্রতিটি জেলায় চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি পশু প্রস্তুত রয়েছে। তাই, পছন্দের পশু কেনার অপেক্ষায় ক্রেতারা।
প্রতিবেদনটি তৈরিতে সহযোগিতা করেছেন জেলার প্রতিনিধিরা।



