দেশের অর্থনীতির কঠিন সময়ে গ্রামীণ মানুষের অবস্থা বিবেচনায় প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এ কারণে অনেক উন্নয়ন প্রকল্প থেকে সরকার সরে এসেছে। বুধবার রাজধানীতে এসডিজি বিষয়ক সম্মেলনের শেষ দিনে এ কথা জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
দেশে জাতীয়ভাবে প্রবৃদ্ধি বাড়লেও শিক্ষিত ও প্রান্তিক যুবকদের মধ্যে বেকারত্ব এবং দক্ষতার ঘাটতি রয়ে গেছে এখনো। এসডিজি বিষয়ক জাতীয় সম্মেলনের শেষ দিনে মূল প্রবন্ধে বলা হয়, অতীতে পরিসংখানের অসংগতি ছিল সবখানে। ফলে তথ্যের অভাবে নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
এ সময় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘জাতিসংঘ নির্ধারিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) কোনো করুণা বা দান নয়, বরং সাধারণ মানুষের মধ্যকার সুপ্ত সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর একটি প্রক্রিয়া। এজন্য সরকার, এনজিও এবং বেসরকারি খাতের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় পাইলট প্রজেক্ট চালিয়ে ভুলত্রুটিগুলো সংশোধন করা হচ্ছে। দেশের প্রতিটি সামাজিক শ্রেণির জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং তাদের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।’
সম্মেলনে আলোচকেরা জানান, শুধু নগদ সহায়তা দিয়ে মানুষের জীবনমান স্থায়ীভাবে উন্নত করা সম্ভব নয়। এজন্য তাদের সৃজনশীলতা ও সক্ষমতা দেখে সেই জায়গায় সুযোগ দিতে হবে। এছাড়া সাধারণ গড়ের হিসাবে নয়, ভৌগলিক অবস্থান, লিঙ্গ ও পরিচয় বিবেচনায় দরিদ্র মানুষকে মূল ধারায় অন্তর্ভূক্ত করতে হবে।



