আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনে প্রার্থী হচ্ছেন আলোচিত মডেল মেঘনা আলম। সম্প্রতি সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে এ ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি তুলে ধরেছেন উন্নয়নমূলক নানা প্রতিশ্রুতি।
তবে স্বতন্ত্র প্রার্থী হবেন, নাকি কোনো দলের হয়ে লড়বেন—সেই বিষয়টি এখনও নিশ্চিত করেননি মেঘনা আলম।
প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়ে গত ১৪ ডিসেম্বর ফেসবুকে তাঁর ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টের এক পোস্টে বলা হয়, ‘ভারত, পাকিস্তান ও সৌদির দাসত্ব থেকে বের হয়ে, বাংলাদেশপন্থি সরকার গড়ে তুলতে হবে। মেঘনা আলম ঢাকা-৮ আসনে সংসদে যাবেন বাংলাদেশকে প্রকৃত অর্থে স্বাধীন ও সম্মানজনক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য।’
এ ছাড়াও বেশকিছু অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতি তুলে ধরেন মেঘনা আলম। বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) এক পোস্টে তাঁর সম্পর্কে বলা হয়, ‘‘মেঘনা আলম ঢাকা-৮ আসনকে বাংলাদেশের মধ্যে নারীদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ এলাকা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার অঙ্গীকার নিয়ে এগিয়ে এসেছেন। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বহুবার ‘দেশকে সিঙ্গাপুর বানানো হবে’—এমন ফাঁপা প্রতিশ্রুতি শোনা গেছে। কিন্তু বাস্তবে একটি দেশকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে হলে প্রয়োজন এমন নেতৃত্ব, যার লালন-পালন, চিন্তাধারা, শিক্ষা ও সামাজিক মেলামেশায় বৈশ্বিক প্রভাব বিদ্যমান এবং যিনি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে স্বাভাবিকভাবেই গ্রহণযোগ্য। মেঘনা আলম সেই বাস্তব উদাহরণ, যিনি কেবল প্রতিশ্রুতি নয়, বাস্তবসম্মত রূপান্তরের প্রতিনিধিত্ব করেন।’’
প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে ‘মিস আর্থ বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হন মেঘনা আলম। পাশাপাশি তিনি ‘মিস বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানেরও চেয়ারম্যান। তবে তিনি আলোচনায় আসেন ঢাকায় নিযুক্ত সাবেক সৌদি রাষ্ট্রদূত ঈসা ইউসুফ ঈসা আলদুহাইলানের সঙ্গে ‘প্রেমের সম্পর্ক’কে ঘিরে। মেঘনা আলম সেই রাষ্ট্রদূতকে ‘স্বামী’ বলে দাবি করেন।
এদিকে, মেঘনা আলমের বিরুদ্ধে ৫ মিলিয়ন ডলার প্রতারণা ও চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলেছেন সেই সৌদি রাষ্ট্রদূত। এই ঘটনায় গত ১০ এপ্রিল আলোচিত এই মডেলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বর্তমানে তিনি জামিনে আছেন।


প্রাক্তন স্ত্রীর বিরুদ্ধে কুমার শানুর মামলা, চাইলেন ক্ষতিপূরণ
