আমাদের মধ্যে প্রচুর মিল আছে। আছে অমিলও। আমাদের দুজনের শুরুই নাটক দিয়ে। ওর সঙ্গে বেশ কিছু কাজও করেছি। মজার বিষয় হলো, আমাদের বন্ধুত্বের শুরু গাড়িতে। ২০১২ সালের একটি ঘরোয়া অনুষ্ঠানে ঈষিকা খানের বাসায় গিয়েছিলাম। তখনই জানতে পারি সিয়াম ও আমার বাসা পাশাপাশি। আমার বাসা শান্তিনগর আর ওর বাসা রাজারবাগে।
পরদিন একটা জায়গায় যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আমার গাড়ি নেই। তখন কথা কথায় ঈষিকা বলে ওঠে যে, সিয়াম যাওয়ার সময় আমাকে পিক করে নেবে। কথা অনুযায়ী সিয়াম সেটা করে। এরপর গাড়িতে করে একসঙ্গে রওনা। তখনই আরও একটা তথ্য আবিষ্কার করি, সে আমার ব্যাচমেট! আমরা একই সালে পাস করেছি। ব্যস, তখন থেকেই আমাদের বন্ধুত্বের শুরু!
আমাদের পারিবারিকভাবেও মিল আছে। আমাদের যেমন ভাই নেই, ওর তেমন বোন। আর এ কারণে দুই পরিবারের কাছে বেশ কদর পাই আমরা। তাদের যেমন আমাকে তাদের পরিবারের মেয়ে ভাবে; তেমনি সিয়ামও আমদের পরিবারের কাছে ছেলের মতো।

সিয়ামের যখন বিয়ে হলো, তখন তার হলুদ অনুষ্ঠানটি আমি সাজিয়েছিলাম। যতদূর মনে পড়ে ভোর হয়ে গিয়েছিল কাজ করতে করতে। পরিবারের মেয়ের যে দায়িত্ব থাকে, আমারও যেন সেটাই ছিল।
অনুলিখন: ওয়ালিউল বিশ্বাস



