মৌলভীবাজারের রাজকান্দি সংরক্ষিত বনে ছয় শতাধিক মাল্টা ও কমলা গাছ কেটে ফেলেছে বন বিভাগ। একসঙ্গে এতোগুলো গাছ কাটা নিয়ে উঠেছে নানা প্রশ্ন। একটি পরিবারের বিরুদ্ধে এই উচ্ছেদ অভিযানকে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ বলছেন বিশিষ্টজনরা। তবে বন বিভাগ বলছে, পর্যায়ক্রমে বনের জমি দখলমুক্ত করা হবে।
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার রাজকান্দি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের আয়তন ২০ হাজার ২৭০ একর। একসময় বন বিভাগ ১৪টি পরিবারকে উপকারভোগী হিসেবে বসবাসের সুযোগ দিলেও এখন বাস করছে শতাধিক পরিবার। নজরদারির অভাবে বনের ৬ হাজার একর জমিতে গড়ে উঠেছে স্থায়ী বসতি, পান-সুপারি ও ফলদ বাগান।
সম্প্রতি বন বিভাগের উচ্ছেদ অভিযানে আদমপুর বিটে কেটে ফেলা হয় ৬ শতাধিক মাল্টা ও কমলা গাছ। একসঙ্গে এতোগুলো গাছ কাটার বিষয়টি আসে নানা আলোচনায়। ভুক্তভোগীদের দাবি, কোনো নোটিশ ছাড়া গাছ কাটায় বড় ক্ষতির মুখে পড়েছেন তারা।
আড়াই মাস আগে পুকুর খননকে কেন্দ্র করে বন কর্মকর্তা ও নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে ওই পরিবারের মারামারি হয়। স্থানীয়দের দাবি, ওই পরিবারকে উচ্ছেদ সেই ক্ষোভেরই বহিঃপ্রকাশ।
পরিবেশকর্মী এমএ ওয়াহিদ রুলু বলেন, ‘বনের অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ প্রশংসনীয়। কিন্তু অন্যদের রেখে একটি পরিবারকে উচ্ছেদের বিষয়টি সন্দেহজনক।’
গত ১৬ জুলাই গাছ কাটার পর এখনো অন্য দখলদার উচ্ছেদে যায়নি বন বিভাগ। বিষয়টি নিয়ে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা জানান পর্যায়ক্রমে বনকে দখলমুক্ত করা হবে।
সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আব্দুর রহমান বলেন, ‘পর্যায়ক্রমে বনের সকল দখলদারদের উচ্ছেদে অভিযান চালানো হবে।’
একসঙ্গে এতগুলো গাছ কাটার ঘটনা আলোচনায় আসলে তদন্ত কমিটি করেন সিলেট বিভাগীয় কমিশনার।বন



