বাংলা নববর্ষ উদযাপন মানেই বাঙালির জীবনের নিজস্ব উৎসব। এই আনন্দকে আরও রাঙিয়ে দিতে ফ্যাশন ইন্ডাষ্ট্রিতে দেশীয় ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে ফ্যাশনে উদ্ভাবন করেছেন ফ্যাশন ডিজাইনার বিপ্লব সাহা। প্রতিষ্ঠার পর থেকে বৈশাখ উদযাপনকে কেন্দ্র করে দেশীয় সংস্কৃতিকে ফ্যাশনের সঙ্গে মিলিয়ে নতুন ধারা সৃষ্টি করেছেন ব্র্যান্ডটি।
বিশ্বরঙ সবসময়ই উৎসবের সঙ্গে দেশীয় সংস্কৃতিকে সামনে নিয়ে কাজ করে। এবারের বাংলা নববর্ষেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। নতুন বছরের আনন্দকে আরও রঙিন করার জন্য বিশ্বরঙে আনা হয়েছে বিশেষ আয়োজন। পোশাকের নকশায় এবার অনুপ্রেরণা হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে বাংলার লোকঐতিহ্য, টেপা পুতুল এবং প্রকৃতির রঙ।

ফ্যাশন ডিজাইনার বিপ্লব সাহা বলেন, ‘বাংলার মাটির তৈরি টেপা পুতুল শুধু একটি খেলনা নয়। এটি আমাদের গ্রামীণ শিল্প, সরল জীবনধারা এবং লোকসংস্কৃতির প্রতীক। আমরা চাই, এই ঐতিহ্যকে আধুনিক ফ্যাশনের ভাষায় নতুন প্রজন্মের কাছে উপস্থাপন করতে।’
পোশাকের নকশায় ব্যবহৃত হয়েছে প্রকৃতির রঙ। যা মধ্যে রয়েছে মাটির লাল, পাতার সবুজ, আকাশের নীল এবং ফুলের কোমল আভা। কাপড়ের বুনন, মোটিফ ও অলংকরণে ফুটেছে টেপা পুতুলের সরলতা, লোকজ নকশা এবং বাংলার প্রকৃতির সৌন্দর্য। বিশ্বরঙের এই আয়োজনের শুধু নতুন পোশাক উপস্থাপন নয়, হারিয়ে যেতে বসা লোকশিল্পকে নতুন প্রজন্মের কাছে পরিচয় করানো।
বিশ্বরঙ বিভিন্ন মিডিয়াম ব্যবহার করে পোশাক সাজিয়েছে স্ক্রিন প্রিন্ট, ব্লক প্রিন্ট, ইন্ডাষ্ট্রিয়াল প্রিন্ট, মেশিন ও হ্যান্ড এমব্রয়ডারী, কারচুপি, নকশী কাঁথা জারদৌসীসহ মিশ্র কৌশল। এবারের বৈশাখী কালেকশন প্রতিটি বয়সের মানুষের জন্য ভিন্ন রঙের আনন্দ নিয়ে এসেছে। বাচ্চাদের জন্য রয়েছে নান্দনিক পোশাক, প্রাপ্তবয়স্ক ও নারীদের জন্য আছে ঐতিহ্য ও আভিজাত্যের ছোঁয়া। বিশ্বরঙের শোরুমসহ অনলাইন থেকেও কেনা যাবে সকল পোশাক।



