সৎ, যোগ্য ও নির্ভীক লোককে নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠনের সুপারিশ করবে সার্চ কমিটি। তারা ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে নাম প্রস্তাব বা সুপারিশ করবেন। এরপর নির্বাচন কমিশন গঠনের তারিখ ঠিক করবেন রাষ্ট্রপতি। এ তথ্য জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আবদুর রশিদ।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও পাঁচ নির্বাচন কমিশনার পদে প্রার্থী সুপারিশের দায়িত্বপ্রাপ্ত সার্চ কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে আজ। সেখানে সার্চ কমিটির কর্মপদ্ধতিও ঠিক করা হবে। অন্যান্য কাজ কীভাবে সম্পাদন করা হবে, সেটিও নির্ধারণ করা হবে এ বৈঠকে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সার্চ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে বলেও জানান সচিব।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও অন্য কমিশনারদের নিয়োগের জন্য একটি অনুসন্ধান কমিটি (সার্চ কমিটি) গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। ইসি গঠনে এই সার্চ কমিটির সভাপতি করা হয় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে। এ ছাড়া সদস্য করা হয় আরও পাঁচজনকে। এর মধ্যে আছেন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান।
দুই বিচারপতি ছাড়া সার্চ কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার ও সরকারি কর্ম কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. জিন্নাতুন নেছা আহমিদা বেগম।
এর আগে সার্চ কমিটি পুনর্গঠনের জন্য দুই বিচারপতির নাম প্রস্তাব করা হয় সম্প্রতি। কমিটির সভাপতি হিসেবে বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নামও প্রস্তাব করা হয় তখন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ দিতে ৬ সদস্যের সার্চ কমিটির বিধান রয়েছে।
গত ৫ আগস্ট ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানে পতন হয় আওয়ামী লীগ সরকারের। এর পরদিনই দ্বাদশ জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা শপথ নেন।
অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্বে আসার পর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে গত ৫ সেপ্টেম্বর পদত্যাগ করে কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন। এই নির্বাচন কমিশন শপথ নিয়েছিল ২০২২ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি।



