কালবৈশাখী ঝড়ে গাছ চাপা পড়ে মা ও দুই মেয়েসহ তিন জেলায় প্রাণ গেছে ৬ জনের। এর মধ্যে জামালপুরে ৩ জন, বগুড়ায় ২ এবং সিরাজগঞ্জে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া বজ্রপাতে নেত্রকোনায় ৩ জন, সুনামগঞ্জে ২ জন, হবিগঞ্জে ১ জন ও নোয়াখালীতে ১ জন মারা গেছেন।
এদিকে সোমবার সকাল থেকে বিভিন্ন জেলায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি ও ঝোড়ো বাতাস বইছে। বিভিন্ন স্থানে ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ঘরবাড়ি, ছিঁড়ে গেছে বিদ্যুতের তার।
রোববার বিকেল থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় শুরু হয় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডব। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও চলে তুমুল বৃষ্টি।
রাতেও বিভিন্ন স্থানে ঝড়ের তাণ্ডবে ভেঙে পড়ে গাছপালা। জামালপুরের মেলান্দহে ঘরের ওপর গাছ পড়ে মৃত্যু হয়েছে মা ও দুই মেয়ের। প্রতিবেশীরা জানান, দাগী এলাকার বাসিন্দা খুকি বেগম রাতে দুই মেয়েকে নিয়ে ঘুমিয়ে ছিলেন। গভীর রাতে ঝড়ে ঘরের ওপর গাছ পড়লে চাপা পড়েন তাঁরা। সকালে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হলে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বগুড়ার গাবতলীতে কালবৈশাখী ঝড়ে বটগাছের নিচে চাপা পড়ে মারা যান ব্যবসায়ী উমা চন্দ্র। আর সারিয়াকান্দিতে ঝড়ে ভেঙে যাওয়া ঘর সরাতে গিয়ে মৃত্যু হয় একজনের।
চট্টগ্রামে সোমবার সকাল থেকে ঝোড়ো হাওয়া আর থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন কর্মজীবী মানুষ।
রাজশাহীতে টানা পাঁচ দিনের তাপপ্রবাহ শেষে কমেছে তাপমাত্রা। সকাল থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি আর মেঘাচ্ছন্ন আকাশ সিলেটে। বৃষ্টির কারণে সড়কে যান চলাচলও ছিল কম। সুনামগঞ্জেও ভোর থেকে বৃষ্টি হলেও নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে প্রবাহিত হচ্ছে।
এদিকে নোয়াখালীর বিভিন্ন এলাকায় ঝড়ে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে এলাকা। খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে ফসলের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ঘরবাড়ি।



