জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করাসহ নানা কারণ দেখিয়ে জামায়াত সংশ্লিষ্ট ১৮ আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ রাজনৈতিক স্ট্যান্ডবাজি, বলছেন বিএনপির আইনজীবীরা। তাদের অভিযোগ, ৪ মাস ধরে সব সুযোগ সুবিধা ভোগ করে এখন রাজনীতি করছেন তারা। তবে পদত্যাগী ডিএজি ও এএজিরা বলছেন, সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কিছু সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারছেন না তারা।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নিয়োগ পাওয়া ৭ ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও ১১ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের একযোগে পদত্যাগ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। জামায়াত সংশ্লিষ্ট এসব আইনজীবী এতদিন পর পদত্যাগ করায় অনেকে তাদের কঠোর সমালোচনা করছেন।
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করা, বিচার বিভাগের আলাদা সচিবালয় না করাসহ বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র দেন তারা। তবে বিএনপির আইনজীবী নেতারা বলছেন, জামায়াতের সিদ্ধান্ত মেনে রাজনৈতিক ইস্যু বানানোই তাদের উদ্দেশ্য। চার মাস ধরে তারা রাষ্ট্র নাকি অন্য কারো স্বার্থে কাজ করেছেন, সেটিও খতিয়ে দেখার দাবি তাদের।
বিএনপির আইন সম্পাদক বদরুদ্দোজা বাদল বলেন, ‘জামায়াতের সিদ্ধান্ত মেনে রাজনৈতিক ইস্যু বানানোই তাদের উদ্দেশ্য। চার মাস ধরে তারা রাষ্ট্র নাকি অন্য কারো স্বার্থে কাজ করেছেন, সেটিও খতিয়ে দেখতে হবে।’
তবে পদত্যাগী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলরা বলছেন, তারা সরকারের নয় রাষ্ট্রের কর্মকর্তা ছিলেন। কিন্তু সরকার যখনই জনআকাঙ্ক্ষা ও স্বাধীন বিচার বিভাগের বিরোধিতা করে তখনই তারা পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।
পদত্যাগী ডেপুটি অঢাটর্নি জেনারেল আসাদ উদ্দিন, ‘আমরা সরকারের নয় রাষ্ট্রের কর্মকর্তা ছিলাম। সরকার যখনই জনআকাঙ্ক্ষা ও স্বাধীন বিচার বিভাগের বিরোধিতা করে তখনই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিই।’
অন্তর্বর্তী সরকারের নিয়োগ দেওয়া ২৫ জন ডিএজি এবং এএজি এ পর্যন্ত পদত্যাগ করেছেন।



