আওয়ামী লীগ আমলের র্যাবের গোপন বন্দিশালা পরিদর্শন করেছেন ট্রাইব্যুনালের তিন বিচারপতি। তাদের সাথে ছিলেন প্রসিকিউটর ও আসামিদের আইনজীবীরা। কয়েকদিন পর ডিজিএফআইয়ের আয়নাঘরেও যাবেন তারা।
পরিদর্শনে ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার, সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, ফারুক আহাম্মদ, শাইখ মাহদী, সহিদুল ইসলাম সরদার, তাসমিরুল ইসলামসহ প্রসিকিউশন টিম ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরাও অংশ নেন।
প্রসিকিউশন জানায়, ভিন্নমতাবলম্বী ও সরকার বিরোধীদের ধরে নিয়ে যেসব গোপন ঘরে আটকে রেখে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এসব গোপন বন্দিশালার বিভিন্ন আলামত আগেই নষ্ট করা হয়েছে। অবশিষ্ট যা আছে তাও সময় বাড়ার সাথে সাথে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এজন্য ন্যায়বিচারের স্বার্থে বিচারপতিরা তা পরিদর্শনে যাচ্ছেন।
গুমের চলমান দুই মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। র্যাবের আয়নাঘরে গুম করে নির্যাতনের মামলায় শেখ হাসিনা ও সাবেক-বর্তমান সেনা কর্মকর্তাসহ ১৭ জনের বিচার চলছে। এর মধ্যে গ্রেপ্তার দশ সেনা কর্মকর্তা রয়েছেন। সেনানিবাসের বিশেষ কারাগারে। তাদের বিরুদ্ধে এরই মধ্যে ব্যারিস্টার আরমানসহ অনেকেই সাক্ষ্য দিয়েছেন। এছাড়া ডিজিএফআই-এর গুমের মামলায় শেখ হাসিনাসহ আর ও ১৩ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে।



