জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি–একনেকে ১৬৮ হাজার ৭৮০ কোটি টাকা ব্যয়ে ১২টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে রাজধানীতে মেট্রোরেলের ৩টি প্রকল্প রয়েছে, যার ২টি সংশোধিত। মেট্রোরেলের এসব প্রকল্পে নতুন বরাদ্দ প্রায় ১ লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা। তবে মোট ব্যয় ২ লাখ ৪৯ হাজার কোটি টাকা।
বুধবার অনুষ্ঠিত একনেকের সভায় প্রকল্পগুলো অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেকের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
অনুমোদন পাওয়া প্রকল্পগুলো হলো—এমআরটি লাইন-১ (বিমানবন্দর-কমলাপুর), এমআরটি লাইন-৫ নর্দান রুট (হেমায়েতপুর-ভাটারা) এবং এমআরটি লাইন-৫ সাউদার্ন রুট (গাবতলী-দাশেরকান্দি)।
তিনটি প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২ লাখ ৪৯ হাজার ৭৪৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে এমআরটি লাইন-১ ও এমআরটি লাইন-৫ নর্দান রুটের সংশোধিত ব্যয় ও মেয়াদের প্রস্তাব এবং এমআরটি লাইন-৫ সাউদার্ন রুটের নতুন প্রকল্প প্রস্তাব অনুমোদন পেয়েছে।
জাইকার অর্থায়নে ৩১ দশমিক ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এমআরটি লাইন-১ প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ১৪ হাজার ৩৯৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর পর্যন্ত এই রুটটি রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ পূর্ব-পশ্চিম যোগাযোগব্যবস্থার অংশ হিসেবে বাস্তবায়িত হচ্ছে।
হেমায়েতপুর থেকে ভাটারা পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এমআরটি লাইন-৫ নর্দান রুট প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৯ হাজার ৮৪৮ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। প্রকল্পটির বাস্তবায়নকাল ও ব্যয় সংশোধন করে নতুন প্রস্তাব একনেকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, গাবতলী থেকে দাশেরকান্দি পর্যন্ত ১৭ দশমিক ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এমআরটি লাইন-৫ সাউদার্ন রুট নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৫ হাজার ৫০৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে ১৩ দশমিক ১০ কিলোমিটার হবে পাতালপথ এবং বাকি অংশ উড়ালপথে নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।
নতুন প্রকল্পে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থায়ন থাকবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে রাজধানীর পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলের মধ্যে দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য গণপরিবহন যোগাযোগ আরও বিস্তৃত হবে।



