দেশের ভেতরে কিংবা সীমান্তের ওপার থেকে যতই ষড়যন্ত্র হোক জনগণ তা রুখে দেবে বলে হুঁশিয়ার দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির সমাবেশে এই হুঁশিয়ারি দেন তিনি। এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের মতো ৫ আগস্ট দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়েছে।
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের শোভাযাত্রা শুরুর আগে, রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশে যোগ দেন নেতা-কর্মীরা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতি ঘিরে কানায় কানায় পূর্ণ আশপাশের এলাকা।
সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘৫ আগস্ট গণতন্ত্র ও নাগরিক অধিকার পুনরুদ্ধার হয়েছে। তবে আবারও পুরোনো রূপে ফিরতে চায় ফ্যাসিবাদী শক্তি।’
তিনি বলেন, ‘একাত্তরের মতো, নব্বইয়ের মতো, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের মতো আবারও দাঁতভাঙা জবাব আমরা দিতে চাই। আজকে ৭ নভেম্বরের সার্বভৌমত্ব র্যালি হোক আমাদের সেই প্রত্যাশা পূরণের দিন। আজকের এই র্যালি হোক বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করার দিন।’
দেশের ভেতরে এবং সীমান্তের ওপার থেকে ষড়যন্ত্র হচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো অপশক্তির সঙ্গে আপস হবে না।’
৭ নভেম্বর, নব্বইয়ের অভ্যুত্থান ও ৫ আগস্টের মতো আগামী দিনেও গণতন্ত্র রক্ষায় সবাইকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, ‘যে দেশের মানুষ ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ করতে পারে, যে দেশের মানুষ ১৯৭৫ সালের সিপাহি-জনতার বিপ্লব ঘটাতে পারে, যে দেশের মানুষ ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান ঘটাতে পারে, সে দেশের মানুষকে ষড়যন্ত্র করে দাবিয়ে রাখা যাবে না।’
সমাবেশ শেষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নেতা-কর্মীদের সঙ্গে হেঁটে এগিয়ে যান মানিক মিয়া এভিনিউর দিকে।


