খেলা নিয়ে ছেলেখেলার শেষ দরকার

হরে-দরে ৫০-৬০টি খেলা নিয়ে মাতামাতি করে আদপে কোনো লাভ নেই। আবার একটা বা দুটো খেলাকে অনাবশ্যক ও দৃষ্টিকটূভাবে অগ্রাধিকার দিয়েও অভিষ্ট লক্ষ্য অর্জন সম্ভব না। তাতে ক্রীড়াঙ্গনকেই ছোট করা হয়। অন্য ক্ষেত্রের তারকা ক্রীড়াবিদেরা অপমানিত হন। আমাদের এই অনুশীলন থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। আজ পড়ুন শেষ পর্ব

আপডেট : ১৪ অক্টোবর ২০২৪, ১০:২২ পিএম
বিকেএসপি, বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে এক গুরুত্বপূর্ণ নাম। এর ভূমিকা অপরিসীম। ক্রীড়াঙ্গনের সেন্টার অব এক্সেলেন্স হয়ে ওঠার সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানটি তা হতে পারেনি। এর পেছনে নানা কারণ রয়েছে। আসুন একটু খতিয়ে দেখা যাক প্রতিষ্ঠানটির ইতিবৃত্ত। এর সঙ্গে আলোচনায় থাকছে আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। 

বিকেএসপি
বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠা ১৪ এপ্রিল, ১৯৮৬। ওই সময়ের নিরীখে এটা ছিল এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ। কালক্রমে বাংলাদেশই নয় অন্তত দক্ষিণ এশিয়ার ক্রীড়াক্ষেত্রে সেন্টার অব এক্সেলেন্স হয়ে ওঠার বিপুল সম্ভাবনা ছিল বিকেএসপির। কিন্তু সময়ের ধারায় এটা পরিণত হয়েছে একটা শ্বেতহস্তীতে। বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনই এর প্রমাণ। নিরীক্ষা প্রসঙ্গে বিকেএসপিকেও বাদ দেওয়া যাবে না। কারণ, বিকেএসপিরও সার্বিক মূল্যায়ন জরুরি। তাহলে প্রায় চার দশকের এই প্রতিষ্ঠানের পেছনে ব্যয় ও এর ফলাফলের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করে নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ সহজ হবে।

এবারে আসা যাক এখানকার শিক্ষাপদ্ধতিতে। বিকেএসপির কোনো ছাত্রকে কেন সকালের ট্রেনিং শেষ করে পড়ি-মরি করে স্কুলে ছুটতে হবে? কেন তাকে গতানুগতিক এসএসসি বা এইচএসসি পড়তে হবে? কেনই‑বা তাকে জিপিএ ফাইভের ইঁদুর দৌঁড়ে সামিল হতে হবে? এ জন্য তো তাকে এখানে ভর্তি করা হয়নি। তার শিক্ষা তো হবে ক্রীড়াশিক্ষা। আর সেটা হতে হবে ইংরেজিতে। একটা আলাদা শিক্ষাক্রম এত বছরে তৈরি না হওয়াটাই বিস্ময়ের। বিভিন্ন সময়ে ব্যক্তিগতভাবে বিষয়টি কর্মকর্তাদের দৃষ্টিগোচর করলেও তাঁরা ভ্রূক্ষেপ করেননি।

সকালে অনুশীলন শেষে প্রয়োজনীয় বিশ্রামের সুযোগ মেলে না। কারণ ৫০ মিনিটের মধ্যে তৈরি হয়ে মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যে নাস্তা করে স্কুলে বা কলেজে ছুটতে হয়। পুরো দিনের সময়সূচি আরও অদ্ভূত। এটা তো কোনো বিজ্ঞানভিত্তিক কাঠামো হতে পারে না। ফলে এখানে শিক্ষা পদ্ধতির পরিবর্তন জরুরি। অন্যদিকে নতুন নতুন বিভাগ চালু করে শিক্ষাদানের সুযোগ সৃষ্টি করাও আবশ্যক।

খেলোয়াড় তৈরিকে মূল লক্ষ্য নির্ধারণ করে এখানে ক্রীড়াবিজ্ঞান, ক্রীড়া ব্যবস্থাপনা, ক্রীড়া বিপণন, ক্রীড়া প্রশাসন, স্পোর্টস কমিউনিকেশন ও স্পোর্টস জার্নালিজমসহ নানা আধুনিক বিষয় অন্তর্ভূক্ত করার পাশাপাশি আম্পায়ার, কোচ, জাজ, রেফারি তৈরির জন্য সার্টিফিকেট কোর্স নয়, পূর্ণাঙ্গ কোর্স চালু করা হলে বাংলাদেশ উপকৃত হতে পারবে। ক্রমেই বিকেএসপি দক্ষ জনবল তৈরির কেন্দ্রে পরিণত হয়ে উঠতে পারে। অন্যান্য দেশ থেকে তখন অনেকেই এখানে পড়ার জন্য আগ্রহী হতে পারে। এখানকার বিষয় ও পাঠ্যসূচি তাই হওয়া চাই আন্তর্জাতিক মানের।

বিকেএসপির পাঠ্যসূচিতে একাধিক ভাষা শেখা সবার জন্য বাধ্যতামূলক করাটা সময়ের দাবি। তাহলেই আমাদের ক্রীড়াবিদ, কোচ, আম্পায়ারসহ সবাইকে পরে সমস্যায় পড়তে হবে না। এমনকি খুব সহজেই আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে পেশাদার কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে সক্ষম হবেন।

সঠিক পরিকল্পনায় বিকেএসপিকে আন্তর্জাতিক মানের সেন্টার অব এক্সেলেন্সে পরিণত করে তোলা কেবল ইচ্ছা ও সময়ের ব্যাপার। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি কমিটি করে যথাযথ পরিকল্পনা নেওয়া গেলে সফলতা মিলবে। সফল প্রতিষ্ঠানে পরিণত হলে বিশ্বের বিভিন্ন ক্রীড়াসামগ্রী প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলো অর্থায়নে আগ্রহী হবে। বিকেএসপিকে তখন আর কেবল সরকারি বারদ্দের ওপর নির্ভর করার প্রয়োজন হবে না।

সমন্বয়হীনতা
খেলাধুলায় সমন্বয়হীনতা একটা প্রকট সমস্যা। প্রতিভা অন্বেষণের কথাই ধরা যাক। প্রতিটি প্রতিষ্ঠান নিজেদের মতো করেই সেটা করে থাকে। তারপর আর কোনো খবর থাকে না। বিকেএসপি, ক্রীড়া পরিষদ, ফেডারেশন–সবাই একই কাজ করে থাকে। কিন্তু যাদের বাছাই করা হয়, তারা কোথায় যায়, সে খবর কেউ রাখে না। বরং অর্থের অপচয় হয়। এ জন্য প্রতিটি ক্ষেত্রে সমন্বয় যেমন জরুরি, তেমনি দায়িত্ব নির্ধারণও আবশ্যক। টুর্নামেন্ট আয়োজনেও সেটা অনুসরণ করা উচিত। না হলে মন্ত্রণালয় থেকে সিটি করপোরেশন–সবাই একই কাজ করে যাবে। সেটা গত কয়েক বছর ধরে হচ্ছে। বিভিন্ন চেয়ারকে খুশি করতেই এই ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অথচ এই দায়িত্ব কেবল ফেডারেশনের। অন্য কারও নয়। ফেডারেশনকে সহায়তা করা যেতে পারে। তাহলে যেকোনো আয়োজন সঠিকভাবে হবে। রোধ হবে অর্থের অপচয়। ক্রীড়াঙ্গনও পাবে সঠিক দিশা।
 
খেলোয়াড়দের জবাবদিহি 
কেবল কর্মকর্তাদের নয়, খেলোয়াড়দেরও জবাবদিহি থাকতে হবে। কোনো একজন তারকা হয়ে উঠলেই যথেচ্ছাচার শুরু হয়ে যায়। এ জন্য কঠিন নিয়ম আরোপ করতে হবে, যাতে তারা সেটা না করতে পারে। একইভাবে পারফরম্যান্স ম্যাট্রিক্স চালু করতে হবে, যাতে তারা ধারাবাহিকভাবে ভালো খেলার মধ্যে থাকে।
 
খেলোয়াড়দের একক ও দলগত খেলায় কোচ ও সাপোর্ট স্টাফদের জন্যও জবাবদিহি প্রযোজ্য। প্রত্যেকের জন্য নির্দিষ্ট ‘কি পারফরম্যান্স ইন্ডিকেটর বা কেপিআই’ চালু করলে সবাইকে নিয়মানুবর্তী করে গড়ে তোলা যাবে।  নিশ্চিত হবে জবাবদিহি। উল্লেখ্য, আমাদের কর্মকর্তা থেকে নীতিনির্ধারক, সবাই বিদেশে যান। সেখান পেশাদার ব্যবস্থাপনা দেখেন। অথচ দেশে ফিরে সেটা বাস্তবায়ন করতে দেখা যায় না।
 
রাজনীতি
যেকোনো প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের নিজস্ব রাজনৈতিক মতাদর্শ থাকাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু ক্রীড়াঙ্গনে সেই মতাদর্শের প্রকাশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করতে হবে খেলোয়াড়, কোচ, কর্মকর্তা, সাপোর্ট স্টাফসহ–সবার জন্য। কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকতে পারবে না। এমনকি রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করা এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। সম্প্রতি এই বিষয়টি উল্লেখ করেছেন ক্রীড়া উপদেষ্টাও।
 
এ জন্য কোনো ফেডারেশন, বোর্ড, অ্যাসোসিয়েশন বা সংস্থাগুলোয় প্রভাব খাটানো যেমন চলবে না, তেমনি কাউকে চাপিয়ে দেওয়া যাবে না। জাতীয় ক্রীড়ানীতি ও প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব গঠনতন্ত্রে এই বিষয়ের স্পষ্ট উল্লেখ থাকতে হবে। যত বড় তারকাই হোন না কেন রাজনীতিতে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে, তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার বিধান থাকতে হবে।
 
আর্থিক নিশ্চয়তা
প্রতিটি ফেডারেশন ও বোর্ডের অধীনে থাকা খেলোয়াড়দের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভাগ করে আর্থিক সুবিধার পাশাপাশি বীমা পলিসি বাস্তবায়ন করতে হবে। যাতে খেলোয়াড়রা কোনো বিপদে পড়লে আর্থিক সংকটে না পড়ে। একইভাবে খেলোয়াড়দের জন্য পেনশন স্কিম তাদের নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করবে। এ জন্য প্রতিটি ফেডারেশনের যথানিয়মে প্রভিডেন্ট ফান্ড চালু করা হবে সময়োপযোগী ও কার্যকর পদক্ষেপ। এসব পরিচালনার জন্যই প্রয়োজন সঠিক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।
 
জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার
এই পুরস্কার প্রতিবারই কলঙ্কিত হয় অযোগ্যদের তালিকাভুক্তি, স্বজনপোষণ ও তদবিরবাজদের কারণে। সব বিতর্কের ঊর্ধ্বে উঠে যথাযোগ্য ক্রীড়াবিদকে এই সম্মননা দেওয়ার বিকল্প নেই। এই পুরস্কার একজন ক্রীড়াবিদকে তাঁর জীবদ্দশাতেই দিতে হবে। এ জন্য কমিটিকে হতে হবে নির্মোহ ও নিরপেক্ষ।
 
পরিশেষে বলি, হরে-দরে ৫০-৬০টি খেলা নিয়ে মাতামাতি করে আদপে কোনো লাভ নেই। আবার একটা বা দুটো খেলাকে অনাবশ্যক ও দৃষ্টিকটূভাবে অগ্রাধিকার দিয়েও অভিষ্ট লক্ষ্য অর্জন সম্ভব না। তাতে ক্রীড়াঙ্গনকেই ছোট করা হয়। অন্য ক্ষেত্রের তারকা ক্রীড়াবিদেরা অপমানিত হন। আমাদের এই অনুশীলন থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। সামর্থ্য বিবেচনায় সংখ্যা নির্ধারণ করে সুপরিকল্পিতভাবে অগ্রসর হতে পারাটাই মুন্সিয়ানা। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকাও অনস্বীকার্য। কারণ, হাতে গোনা কয়েকটি খেলাই গণমাধ্যমে সিংহভাগ সময় প্রাধান্য ও গুরুত্ব পেয়ে থাকে। সেটা কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না।
 
যেকোনো ক্ষেত্রেই সাফল্যের মূল হলো, সঠিক পরিকল্পনা সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য সমন্বিত পদক্ষেপ। ক্রীড়াঙ্গনও এর বাইরে নয়। এ জন্য কেবল সার্চ কমিটি দিয়ে ক্রীড়াঙ্গনের সংস্কার নিশ্চিত করা যাবে না। বরং প্রয়োজন কমিশন গঠন; যেটা অন্য ক্ষেত্রের জন্য ইতিমধ্যেই করা হয়েছে। কারণ ক্রীড়াঙ্গন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ক্ষেত্র; বিশেষ করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি দেশকে পরিচিত করানোর জন্য। অবশ্য সেটা আমরা আমলে নিতে চাই কিনা, সে প্রশ্ন থেকেই যায়।
 
যাহোক, সফলতার জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কারসাপেক্ষে যথাযথ পদক্ষেপই আন্তর্জাতিক ক্রীড়া মানচিত্রে বাংলাদশের অবস্থানকে সুদৃঢ় করবে। আপাতত সেই দিনের প্রতীক্ষা আমাদের সবার।
(শেষ)
লেখক: সাংবাদিক
[এই মতামত লেখকের নিজস্ব। এর সঙ্গে ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের প্রাতিষ্ঠানিক সম্পাদকীয় নীতিমালার কোনো সম্পর্ক নেই।]
আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের চিরন্তন দ্বৈরথের বাইরে এসে বাংলাদেশে জন্ম নিচ্ছে এক নতুন ফুটবল বসন্ত। কোনো পূর্বপুরুষের প্রভাব ছাড়াই, সম্পূর্ণ নিজস্ব পছন্দে একটি দেশের নতুন প্রজন্ম পর্তুগালের লাল-সবুজ...
মেয়েদের খেলাধুলা বিশেষ করে ফুটবল খেলা নিয়ে ধর্মীয় বা সামাজিক বাধা ও আপত্তি নতুন নয়। সে সব প্রতিবন্ধকতা উপেক্ষা করেই তৃণমূল পর্যায় থেকে উঠে আসা মেয়েরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলছে। বড় বড়...
টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার পরের বেশ কয়েক বছর বাংলাদেশের অবস্থা ছিল প্রায় একই। ‘অসহায় আত্মসমর্পণ’। যে দলের সঙ্গেই তখন টেস্ট খেলতে নামত বাংলাদেশের পুরুষ ক্রিকেট দল, মাঝে মাঝে আশার প্রদীপ জ্বালাতে পারলেও,...
খেলাধুলা সারা বিশ্বে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, মূল্যবান, আকর্ষণীয় ও গ্ল্যামারাস পণ্য। এর সাথে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে বিপণন বা মার্কেটিং। অর্থাৎ এটা একটা ব্যবসা। দাতব্য কিছু নয়। আমরা তা কখনো বোঝার চেষ্টা...
খাগড়াছড়িতে টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা। জেলার এলজিইডি নিয়ন্ত্রণাধীন ২৮টি সড়কের ২১ কিলোমিটার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মহালছড়ির মুবাছড়ি ও পানছড়ির নালকাটায়...
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘দেশের চিকিৎসা খাতের ঘাটতি দূর করে সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করবে সরকার। তৃণমূলের মানুষ ভিআইপিদের...
জামায়াত আমির বলেন, ২০০৬ সাল থেকে শুরু করে ২৪ সাল পর্যন্ত টানা ১৯টি বছর মানুষ রক্ত দিয়েছে, জীবন দিয়েছে, আয়নাঘরের সঙ্গী হয়েছে। কিন্তু মানুষ ফ্যাসিবাদের কাছে মাথা নত করেনি। আসল ফ্যাসিবাদকে জনগণ...
রবিবার (১৯ জুলাই) একই দিনে চার গুণী ব্যক্তিত্বকে স্মরণ ও শুভেচ্ছা জানাতে বিশেষ অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে চ্যানেল আই। এদিন প্রয়াত কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার ও নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের প্রয়াণ দিবস।...
লোডিং...
পঠিতনির্বাচিত

এলাকার খবর