এই তো খুব বেশিদিন আগের কথা না, ভারত দলের দুই ফরম্যাটের সহ-অধিনায়ক ছিলেন শুবমান গিল। গৌতম গম্ভীর দলের দায়িত্ব নিয়েই সাদা বলের দুই ফরম্যাটে এই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানকে সহ-অধিনায়ক বানিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু মাত্র এক মাস পরের আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে দলে থাকবেন কিনা, এ নিয়েই এখন সন্দেহ জাগছে।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের আগে ধারণা করা হয়েছিল টেস্টেও গিলকে সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব দেওয়া হবে। তবে শেষ পর্যন্ত যশপ্রীত বুমরাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। সিরিজে তাঁর অধীনেই প্রথম টেস্ট জিতেছিল ভারত। ধারণা করা হচ্ছে, চোটমুক্ত থাকলে চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে ওয়ানডেতেও সেই দায়িত্ব পাবেন বুমরা। সাবেক ক্রিকেটার ও বর্তমান বিশ্লেষক সঞ্জয় মাঞ্জরেকার এই সিদ্ধান্তের পক্ষে।
বোর্ডার-গাভাস্কার সিরিজের প্রথম টেস্টে রোহিত শর্মার অনুপস্থিতিতে নেতৃত্ব দেওয়া বুমরার ফিটনেস নিয়ে সিরিজের চতুর্থ টেস্টের আগেই সন্দেহ ছিল ওদিকে ফর্ম হারিয়ে ফেলা রোহিতকে ‘বিশ্রাম’ দিয়েছিল ভারত। তাই গুঞ্জন উঠেছিল সিডনিতে গিলকে দেখা যাবে অধিনায়ক হিসেবে।
মাঞ্জরেকার অবশ্য এসব গুঞ্জনকে বিশ্বাস করেননি। সিরিজের আগে দুই ম্যাচে একাদশে সুযোগ না পাওয়া গিলের ব্যাপারে তাঁর মন্তব্য, ‘এমন আলোচনাও হয়েছিল যে অস্ট্রেলিয়ায় শুবমান গিলকে সহ-অধিনায়ক করা হতে পারে। দেখুন তখন কী হয়েছিল। ভাগ্য ভালো, বুমরাকে করা হয়েছিল, রোহিত প্রথম টেস্ট না খেলায় সেই অধিনায়ক হয়েছিল। গিলের ক্যারিয়ারের অবস্থা দেখুন এখন। আগে তো নিজ যোগ্যতায় দলে টিকতে হবে।’
টাইমস অব ইন্ডিয়া বলছে গিলের ফর্ম হারিয়ে ফেলা ও অস্ট্রেলিয়ায় বুমরার নেতৃত্বগুণ দেখার পর ওয়ানডেতেও বুমরাকে সহ-অধিনায়ক করার চিন্তা হচ্ছে। ইএসপিএন ক্রিকইনফোর সঙ্গে কথোপকথনে মাঞ্জরেকার বলেছেন, দলের নেতৃত্বের চিন্তায় এখন বুমরাকেই এগিয়ে রাখতে হবে বোর্ডকে, ‘আমার মতে এ নিয়ে ভাবার কোনো দরকারই নেই। পরের টেস্ট সিরিজ হবে ইংল্যান্ডে। অর্থাৎ প্রায় একই ধরনের। যশপ্রীত বুমরাকেই পরবর্তী টেস্ট অধিনায়ক বানাতে হবে।’
টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নিলেও অন্য দুই ফরম্যাটে চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা রোহিতের। কিন্তু টেস্টে তাঁর পারফরম্যান্সে অবসর সংক্রান্ত আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে ওয়ানডেতে আগামী বিশ্বকাপ পর্যন্ত চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলেন রোহিত।



