বার্মিংহামেও ইংল্যান্ডের সঙ্গে পেরে ওঠেনি পাকিস্তান। লিডস ও লর্ডসে হওয়া আগের দুই টেস্টের মতো, এবারও বড় ব্যবধানে জিতেছে ইংল্যান্ড। টেস্টের চতুর্থ ইনিংসে অপরাজিত ৬২ রানের ইনিংস খেলে ইংল্যান্ডকে ৮ উইকেটের জয় এনে দেন রুট।
ফিফটি পেরোনো ইনিংস খেলার পথে ৩৫ বছর বয়সী এই ব্যাটসম্যানের নাম উঠেছে আরও একটি রেকর্ডে। ভারতীয় কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান শচীন টেন্ডুলকারকে ছাড়িয়ে টেস্টে এখন সবচেয়ে বেশি ফিফটির মালিক জো রুট।
লাল বলের ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি ৫১টি সেঞ্চুরির মালিক টেন্ডুলকারের টেস্ট ফিফটি ৬৮টি। ২০০ টেস্ট খেলে এ কীর্তি গড়েন ভারতীয় কিংবদন্তি। শচীনকে ফিফটির সংখ্যায় ছাড়িয়ে যেতে জো রুটকে খেলতে হলো ১৬৯ টেস্ট।
পাকিস্তানের বিপক্ষে সদ্য সমাপ্ত এই সিরিজের শুরুতেই ৬৬ রানের ইনিংস খেলেছিলেন রুট। সেই ফিফটি দিয়ে টেন্ডুলকারকে ছুঁয়েছিলেন তিনি। কিন্তু পরের তিন ইনিংসে রুটের ব্যাট মোটেও হাসেনি। অবশেষে বার্মিংহামে ফিফটি করে ছাড়িয়ে গেলেন টেন্ডুলকারকে। সেটাও টেন্ডুলকারের চেয়ে ৩১ ম্যাচ কম খেলে।
টেস্টে সবচেয়ে বেশি ফিফটি
৬৯- জো রুট
৬৮- শচীন টেন্ডুলকার
৬৬- শিবনারায়ণ চন্দরপল
৬৩- অ্যালান বোর্ডার
৬৩- রাহুল দ্রাবিড়
৬২- রিকি পন্টিং
ফিফটিতে টেন্ডুলকারকে ছাড়িয়ে যাওয়ার পাশাপাশি এজবাস্টনে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক স্পর্শ করেছেন রুট। বার্মিংহামের এই মাঠে টেস্টে ১ হাজারের বেশি রান করা প্রথম ব্যাটসম্যান তিনি। এটি নিয়ে চারটি ভিন্ন মাঠে ১ হাজারের বেশি টেস্ট রান হলো রুটের। লর্ডসে তাঁর রান ২ হাজার ২০৩। ম্যানচেস্টারে করেছেন ১ হাজার ১২৮ রান এবং দ্য ওভালে ১ হাজার ৫০ রান। এর সঙ্গে এজবাস্টনেও ১ হাজার রানের গণ্ডি পেরোলেন।
এর আগে মাত্র দুজন ক্রিকেটার চারটি ভিন্ন ভেন্যুতে ১ হাজারের বেশি টেস্ট রান করার কীর্তি গড়েছিলেন। এর একজন সাউথ আফ্রিকার কিংবদন্তি জ্যাক ক্যালিস এবং অন্যজন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক রিকি পন্টিং।



