সাবেক ব্রাজিলিয়ান তারকা রবিনিওর দিন এখন কাটছে জেলে। সাবেক রেয়াল মাদ্রিদ ফরোয়ার্ড ম্যানচেস্টার সিটি হয়ে ইতালিতে এসি মিলানে থিতু হয়েছিলেন। ২০১৩ সালে সেখানেই এক সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় নাম ওঠে তার।
মামলার হাত থেকে বাঁচতে ইতালি থেকে নিজ দেশে ফিরে যান রবিনিও। তবে আইনি প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন এনে ব্রাজিলেই এখন শাস্তি ভোগ করতে হচ্ছে তাঁকে। ২০২২ সালে ৯ বছরের সাজা পাওয়া রবিনিওর জেলজীবন নিয়ে এক প্রতিবেদন ছাপিয়েছে ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যমগুলো।
ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যমের বরাতে স্প্যানিশ পত্রিকা মার্কা জানিয়েছে, নববর্ষ উপলক্ষ্যে স্ত্রী ভিভিয়ান দেখা করতে চেয়েছিলেন রবিনিওর সাথে। কিন্তু কারা কর্তৃপক্ষ সে সুযোগ দেয়নি তাঁকে।
এমনিতেও কোনো সাধারণ কারাগারে থাকছেন না রবিনিও। সাবেক সান্তোস তারকাকে হোসে অগাস্তো সেজার সালগাদো তে (ত্রেমেম্বে পেনিটেনটিয়ারি টু) রাখা হয়েছে। ব্রাজিলের সেলিব্রিটি অপরাধীদের এখানে রাখা হয়। ৪৩০ ধারণক্ষমতার এই কারাগারে ৯ থেকে ১৫ বর্গমিটারের সেলে ৬ জনের মতো বন্দী রাখা হয়।
রবিনিও ছাড়া এই কারাগারে বর্তমানে রাজনীতিবীদ লুইজ এস্তেভাও, ব্রাজিলে শোরগোল ফেলা হত্যাকাণ্ডের আসামি সাংবাদিক আন্তোনিও মার্কোস দাস নেভেস এবং আলড়ন তোলা সব হত্যা, ধর্ষণ ও কিডন্যাপিং মামলার আসামি আছেন।
মজার ব্যাপার এই কারাগারের বন্দিরা একটা অবিশ্বাস্য সুবিধা পান। সাংবাদিক উলিসেস ক্যাম্পবেল এই কারাগার নিয়ে লেখা বইয়ে জানিয়েছেন, এই কারাগারে টিনডারের মতো একটি ডেটিং অ্যাপ আছে। এই কারাগার থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূরের আরেক কারাগারের বন্দীদের কাছে ছবি পাঠান এখানকার বন্দিরা। এছাড়া চিঠিও লিখে পাঠানো যায়। সেটা কারারক্ষীরাই জোরে পড়ে শোনান। এই পদ্ধতিতে দুই বিখ্যাত হত্যা মামলার আসামির প্রেমে পড়ার ঘটনার কথা জানা গেছে।



