ম্যাচের ৮৯ মিনিটে আক্রমণভাগের বাঁপ্রান্ত থেকে সিলভেত্তির বাড়ানো বলে পা লাগালেন মেসি। সেই বল ডান পোস্টে লেগে আশ্রয় নিল সিনসিনাটির জালে। ধারাভাষ্যকার উত্তেজিত গলায় মেসির হ্যাটট্রিকের ঘোষণা দিলেন।
কিন্তু একটু পর দেখা গেল ভিন্ন চিত্র। গোলটা মেসির নামে দেওয়া হয়নি। মায়ামি গোলটা পেয়েছে আত্মঘাতী হিসেবে। কারণ মেসির শট পোস্টে লাগার পর সিনসিনাটি গোলকিপার রোমান কেলেনতানোর গায়ে লেগে গোললাইন অতিক্রম করেছে। হ্যাটট্রিক বঞ্চিত হলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।
এরপরও সিনসিনাটির বিপক্ষে মায়ামির ম্যাচটা মেসিময় হয়েই থাকল। ওহাইয়োর টিকিউএল স্টেডিয়ামে মায়ামি ম্যাচটা জিতেছে ৫-৩ ব্যবধানে। মেসি নিজে জোড়া গোল করেছেন, একটি গোলে সরাসরি অ্যাসিস্ট করেছেন। আর মায়ামির বাকি দুই গোলেও মেসির পরোক্ষ অবদান। সব মিলিয়ে মায়ামির সবগুলো গোলেই মেসির ছোঁয়া আছে। বিশ্বকাপের মাস খানেক আগে মেসির এমন দুর্দান্ত ছন্দ, আর্জেন্টাইন সমর্থকেরা খুশিই হওয়ার কথা।
আজ ভোরে হওয়া ম্যাচে মেসি প্রথম গোলের দেখা পান ২৪ মিনিটে। প্রতিপক্ষের ভুলে সুযোগ কাজে লাগিয়ে মায়ামিকে ১-০ গোলে এগিয়ে দেন তিনি। তবে সিনসিনাটি ঘুরে দাঁড়িয়ে ৪৯ মিনিটের মধ্যে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দিয়েছিল।
এরপর আবারও মেসি ঝলক। ৫৫ মিনিটে দারুণ এক দলীয় আক্রমণে বক্সের ভেতর পা লাগিয়ে স্কোরলাইনে সমতা (২-২) ফেরান আর্জেন্টাইন মহাতারকা। ৯ মিনিট পর আবারও এগিয়ে (৩-২) যায় সিনসিনাটি।
মায়ামিকে ম্যাচে ফেরান সেই মেসিই। ৭৯ মিনিটে আর্জেন্টাইন কিংবদন্তির পাসে গোল করেন সিলভেত্তি। ৪ মিনিট পর মেসির ফ্রি কিক ধরতে গিয়ে হাত ফসকে যায় সিনসিনাটি গোলকিপারের। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে স্কোরলাইন ৪-৩ করেন গেরমান বেরতেরামে। আর নির্ধারিত সময়ের ১ মিনিট আগে মেসির শটে গোলকিপারের গায়ে লেগে সেই আত্মঘাতী গোল। দুইবার পিছিয়ে পড়া মায়ামি তাতে মাঠ ছাড়ে ৫-৩ ব্যবধানের জয় নিয়ে।
এ জয়ে ১৩ ম্যাচে ২৫ পয়েন্ট নিয়ে এমএলএস পয়েন্ট তালিকায় মায়ামি এখন দুইয়ে। সমান ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট তালিকার আটে সিনসিনাটি।



