পর্যাপ্ত ঘুম শরীরের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একজন মানুষকে দিনে অন্তত ৮ ঘণ্টা ঘুমাতে হয়। বর্তমান সময়ে ঘুম–সংক্রান্ত অনেক রোগ যেমন দীর্ঘস্থায়ী ঘুমের অভাব এবং ঘুমের ব্যাঘাতের দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, স্থূলতা, বিষণ্নতা, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোকসহ অনেক গুরুতর সমস্যার ঝুঁকি দেখা দিচ্ছে।
ঘুম আমাদের জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। প্রতিদিন আমাদের ঘুমাতেই হয়, তা যত ঘণ্টাই হোক। খাওয়া বাদ দিলেও ঘুমটা বাদ দেওয়া যায় না।
এই ঘুমের ব্যাপারে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য প্রতি বছর মার্চের দ্বিতীয় শুক্রবার বিশ্ব ঘুম দিবস পালিত হয়। ঘুম–সংক্রান্ত এই সমস্যাগুলো এড়াতে ওয়ার্ল্ড স্লিপ সোসাইটি ২০০৮ সালে প্রথমবারের মতো ঘুম দিবস শুরু করে। এখন বিশ্ব ঘুম দিবস ৮৮টির বেশি দেশে পালিত হয়।
প্রতি বছর বিশ্ব ঘুম দিবসের একটি ভিন্ন থিম থাকে। এ বছর বিশ্ব ঘুম দিবসের থিম ‘বৈশ্বিক স্বাস্থ্যের জন্য ঘুমের সমতা’।
ঘুম দিবস নিজের মতো কাটাতে আপনি সবচেয়ে সহজে যেটা করতে পারেন, তা হচ্ছে ঘুমিয়ে পড়ুন। ঘুমপ্রেমীরা পারলে কাজ থেকে ছুটি নিন। যতক্ষণ ইচ্ছা ঘুমান। আর তা সম্ভব না হলে অন্তত ২০ মিনিটের জন্য ঘুমিয়ে নিন। ওঠার পরে সতেজ অনুভূতি হলে বুঝতে হবে, এই ঘুমটা সত্যিই আপনার দরকার ছিল।
ঘুম দিবস পালনের জন্য আর কিছুই করা লাগবে না। তবে অফিসে থাকলে কীভাবে ঘুমাবেন?
সেই প্রশ্নেরও সমাধান দিয়ে দিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে। এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যমটি এক্সের ভিডিও শেয়ার করে। তাতে দেখা যায়, চারটি উপায়ে আপনি চাইলে অফিসেও ঘুমাতে পারেন।
এর মধ্যে সবচেয়ে সহজ উপায় হতে পারে ডেস্কে বসেই হালকা ঘুমিয়ে নেওয়া। এ জন্য আপনি মাথার একপাশে হাত থেকে চোখ বুজে ঘুমিয়ে নিতে পারেন। এতে বাকিদের মনে হতে পারে আপনি গভীর চিন্তায় নিমগ্ন। এ ছাড়া আপনি চাইলে চেয়ারে হেলান দিয়েও একটু ঘুমিয়ে নিতে পারেন।
এ ছাড়া অফিসের নিরব জায়গায় দেয়ালে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে ঘুমাতে পারেন। ঘুমাতে পারেন কম ব্যবহৃত হয় এমন সিঁড়িতেও। মিটিংয়ের কথা বলে কনফারেন্স রুমে গিয়ে ঘুমাতে পারেন একটু। এ ছাড়া ওয়াশরুম তো রয়েছেই।



