যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি, কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গোয়েন্দা প্রতিবেদনের বরাতে এ তথ্য দিয়েছে মার্কিন গণমাধ্যম। তবে, তা নাকচ করে হোয়াইট হাউস বলছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাফল্য খাটো করতেই এমন তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। বিবিসির লাইভে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এদিকে, ইরান ও ইসরায়েল উভয় পক্ষই যুদ্ধে জয় দাবি করেছে। তা ছাড়া, আক্রমণ হলে পুনরায় যুদ্ধ শুরু করতে প্রস্তুত বলেও সতর্ক করেছে তেহরান-তেল আবিব। যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও ইরান ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে।
তেহরান ও তেল আবিব উভয়ই প্রতিপক্ষের ড্রোন ভূপাতিতের দাবি করেছে। ইরান তার পারমাণবিক কর্মসূচি পুনরায় চালুর চেষ্টা করলে আবারও একই পদক্ষেপ নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী। অন্যদিকে, নিজের স্বার্থ নিশ্চিত করে ইরান আলোচনায় বসতে রাজি বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।
গত ১৩ জুন ইরানের ওপর হামলা শুরু করে ইসরায়েল। ওই সময় দেশটডির পারমাণবিক স্থাপনা, সামরিক ঘাঁটি ও আবাসিক এলাকার ওপর চালানো হয় হামলা। এতে বেশ কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা, পরমাণুবিজ্ঞানী ও সাধারণ নাগরিক নিহত হন। এ জবাবে পাল্টা হামলা শুরু করে ইরানও।
এ অবস্থায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুরু থেকে ইসরায়েলের পক্ষে সমর্থন দিতে থাকেন। এক পর্যায়ে ঘোষণা দেন, তারা ইসরায়েলের হয়ে ইরানে হামলা চালাবেন কি না, তা জানাবেন দু সপ্তাহের মধ্যে। এর মধ্যেই শনিবার মধ্যরাতে ইরানে সরাসরি হামলা চালায় আমেরিকা। মঙ্গলবার রাতে কাতার ও ইরাকের মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান। এক পর্যায়ে এদিনই যুদ্ধে বিরতি দেয় ইরান–ইসরায়েল।



