চার বছরের অপেক্ষার অবসান। আজ বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত লড়াই—বিশ্বকাপের ফাইনাল। একদিকে তিনবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা, অন্যদিকে ইউরোপের পরাশক্তি স্পেন। নব্বই মিনিট, কিংবা তারও বেশি সময়ের লড়াই শেষে এক দলের জার্সিতে যুক্ত হবে আরেকটি সোনালি তারকা, আর অন্য দলের স্বপ্ন থেমে যাবে শেষ বাঁশির সঙ্গে।
অভিনেত্রী সাফা কবিরের কাছে বিশ্বকাপ ফাইনাল শুধু একটি ম্যাচ নয়, এটি একটি উৎসব। তিনি বলেন, ছোটবেলা থেকেই পরিবারের সঙ্গে বিশ্বকাপের ফাইনাল দেখার অভ্যাস রয়েছে। সেই ঐতিহ্য এখনও ধরে রেখেছেন। তাঁর প্রত্যাশা, মাঠে দুই দলই নিজেদের সেরাটা দেবে এবং বিশ্বকাপের সমাপ্তি হবে একটি স্মরণীয় লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে।
অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরীর ভাষায়, ফুটবল এমন একটি খেলা যা পৃথিবীর কোটি মানুষকে একই অনুভূতিতে যুক্ত করে। বিশ্বকাপের সময় পরিবার কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে খেলা দেখার আনন্দই আলাদা। আমার প্রত্যাশা, ফাইনাল হবে আক্রমণাত্মক, প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এবং শেষ বাঁশি পর্যন্ত রোমাঞ্চে ভরা। প্রিয় দল জিতুক।
চিত্রনায়ক সিয়াম আহমেদের মতে, বিশ্বকাপ ফাইনাল মানেই ইতিহাসের জন্ম। একটি গোল, একটি সেভ কিংবা একটি সিদ্ধান্তই বদলে দিতে পারে পুরো ম্যাচের ভাগ্য। তাই শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতিটি মুহূর্ত মনোযোগ দিয়ে দেখার পরিকল্পনা আমার।
চিত্রনায়িকা পরীমণি বলেন, বিশ্বকাপের সময় তাঁর ঘরে যেন উৎসবের আবহ তৈরি হয়। প্রিয় দলের ম্যাচ মানেই বাড়তি উত্তেজনা।
তাঁর বিশ্বাস, ফুটবলের সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য হলো শেষ বাঁশি বাজার আগে কোনো কিছুই নিশ্চিত নয়। তাই শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই ভালো লাগে।
অভিনেতা তৌসিফ মাহবুবের মতে, ফাইনাল ম্যাচে ভুল করার সুযোগ খুবই কম। একটি ছোট ভুল কিংবা একজন খেলোয়াড়ের ব্যক্তিগত নৈপুণ্য পুরো ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। তাই তিনি মনে করেন, দর্শকরা এবারও একটি টানটান উত্তেজনার লড়াই দেখতে পাবেন। প্রিয় দল জিতুক। এই প্রত্যাশার পাশাপাশি সুন্দর ফুটবলই তাঁর সবচেয়ে বড় চাওয়া।
তবে শুধু এই কয়েকজন নন, দেশের আরও অনেক তারকাশিল্পী আজকের ম্যাচ ঘিরে দারুণ উত্তেজনায় আছেন। কারও কাছে এটি আবেগের, কারও কাছে উৎসবের, আবার কারও কাছে শৈশবের ভালোবাসার পুনর্মিলন। তাই এখন আর কোনো হিসাব-নিকাশ নেই, একটাই চাওয়া—প্রিয় দল যেন শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে মাঠ ছাড়ে।
ফুটবল এমন এক খেলা, যেখানে একটি বলের পেছনে ছুটে বেড়ানো ২২ জন খেলোয়াড়ের সঙ্গে আবেগে জড়িয়ে থাকে কোটি কোটি মানুষের হৃদস্পন্দন। আজও তার ব্যতিক্রম হবে না। আর্জেন্টিনা নাকি স্পেন—কোন দলের জার্সিতে যুক্ত হবে নতুন একটি তারকা, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। যার উত্তর মিলবে মাঠেই। তবে ফল যাই হোক, আজকের রাতটি বিশ্বফুটবলের ইতিহাসে আরেকটি স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকবে। সেই ইতিহাসের সাক্ষী হতে সাধারণ দর্শকের মতো দেশের তারকারাও প্রস্তুত।


মৃত্যুর ১৪ বছর পরও পাঠক মহলে সমাদৃত নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ
