লেবানন ইস্যুতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর আরও দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্র পাশে না থাকলে ইসরায়েলের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না বলেও জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এমন সতর্কতার পরও দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় ৪ জন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে কঠোর জবাবের হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান।
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘নেতানিয়াহুকে লেবাননের বিষয়ে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। ছোট একটি ড্রোন হামলার জবাবে তিনি এতো বড় একটি হামলা না চালালেও পারতেন। যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন না থাকলে পৃথিবীর মানচিত্রে আজকে ইসরায়েল থাকতো না। এমনকি আমি যে পরিমাণে ইসরায়েলকে সমর্থন জানিয়েছি, অন্য কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট এই কাজ করতে রাজি ছিলেন না।’
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন সতর্কতা উপেক্ষা করেই লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে ঘটেছে হতাহতের ঘটনা। এই ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে ইরান। দেশটির অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সমঝোতা স্মারকে সম্মতির পর লেবাননে ৮৪ বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে ইসরায়েল।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, ‘যুদ্ধের অবসান মানে শুধু যুদ্ধবিরতি নয়, দখলদারিত্বেরও অবসান। যুদ্ধ চলাকালে দখল করা এলাকা থেকে ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহার না হলে প্রকৃত অর্থে যুদ্ধ শেষ হবে না। পাশাপাশি ভবিষ্যতে লেবাননের বিরুদ্ধে যেকোনো সামরিক হামলা বা দখল অব্যাহত থাকাকে আমরা এই সমঝোতা স্মারকের লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচনা করব।’
তেহরান সতর্ক করে জানিয়েছে লেবাননে হামলা চলতে থাকলে কঠোর জবাব দেয়া হবে। এদিকে শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের সমঝোতা স্মারকের আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষরের আগেই ইরানের বন্দর ও জাহাজের ওপর মার্কিন নৌ অবরোধ তুলে নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টক রিসোর্টে আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ গালিবাফ।



