এশিয়া কাপে অভাবনীয় এক কাণ্ড ঘটেছে। যেকোনো টুর্নামেন্ট আয়োজন একটা দুধারি তলোয়ার। একদিকে মাঠে নিজেদের সমর্থকদের উপস্থিতি দ্বাদশ খেলোয়াড়ের কাজ করে, অন্যদিকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ পড়লে তখন মুখ গোমড়া করে বসে থাকতে হয়।
পাকিস্তান এই দুই দিকের কোনো স্বাদই পেল না। স্বাগতিক দল হওয়ার পরও টুর্নামেন্টে নিজেদের পাঁচ ম্যাচের মাত্র দুটি ঘরের মাঠে খেলেছে। এবং টুর্নামেন্ট থেকে বাদ হওয়ার পর এই প্রথম কোনো স্বাগতিক দল দেশে ফিরল!
এদিকে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড এখনো আয়োজকের ভূমিকায় অভিনয় করে যাচ্ছে। নিজেরা খেলছে না এমন ম্যাচ-ভারত ও শ্রীলঙ্কা ম্যাচের স্কোর একটু পরপর জানিয়েছে। এমনকি টুর্নামেন্ট থেকে বাদ পড়ার পরও বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ম্যাচের আপডেট জানিয়েছে অনুসারীদের।
আজ দুপুরেও নিজেদের দায়িত্ব পালন করেছে তারা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আগামীকালের এশিয়া কাপ ফাইনালের টিকিটের মূল্য তালিকা দিয়েছে। সে সঙ্গে সমর্থকদের আহবান জানিয়েছে, পিসিবির ওয়েবসাইট থেকে ফাইনালের টিকিট কেনার।
এমনিতেই ভারত ও শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে ফাইনালে উঠতে না পারার ব্যর্থতা পোড়াচ্ছে সমর্থকদের। এর মধ্যে আবার এই দুই দলের মধ্যকার ফাইনাল টিকিট কেটে দেখার আহবান! টুইটারে অনুসারীদের মধ্যে হাসির রোল পড়ে গেছে। আর কড়া সমর্থকেরা জানাচ্ছেন ক্ষোভ।
এক সমর্থক জিজ্ঞেস করেছেন, ‘টুর্নামেন্ট থেকে বাদ পোড়ার পর এমন কিছুর বিজ্ঞাপণ দিতে লজ্জা করে না?’ আরেকজনের দাবি, ‘দল বাদ পড়ার এশিয়া কাপ নিয়ে টুইট করা দয়া করে বন্ধ কর। এখনো এ নিয়ে এটা নিয়ে টুইট করছ, কী লজ্জা।’ আরেক সমর্থক জিজ্ঞেস করেছেন, ‘ক্রিকেট বোর্ড কি কমিশনের (টিকিট বিক্রির) কাজ করে?’
আরেক সমর্থক ভারতের হাতে সব ক্ষমতা তুলে দেওয়ায় লজ্জা পেতে বলেছেন, ‘একটু লজ্জা পাও। টুর্নামেন্টের আয়োজক তোমরা ছিলে কিন্তু ভারত ও শ্রীলঙ্কার ইচ্ছামতো সব হয়েছে।’ এক সমর্থক তো রীতিমতো ক্ষুব্ধ, ‘এটা টুইট করেছে, কত সাহস।’ একজনের সরল জিজ্ঞাসা, ‘আমাদের দল তো বাদ পড়ে গেছে।’
এর মধ্যে এক ভারতীয় সমর্থক ফোড়ন কেটেছেন, ‘পাকিস্তানের মানুষ কী দুঃখটাই না পাচ্ছে।’


এখনো উত্তর খুঁজছেন হাথুরুসিংহে
এশিয়া কাপ থেকে ফিরে মিরাজ জানালেন, তাঁরা আনন্দে আছেন
