প্রার্থীদের আচরণবিধি লঙ্ঘনের কারণে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কঠোর কিছু সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আনিছুর রহমান। নির্বাচন কমিশন ভবনে আজ শনিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
ইসি আনিছুর বলেন, কারও না কারও প্রার্থিতা বাতিল হবে। সব প্রার্থীই সমান। প্রশাসনকে নিরপেক্ষতা দেখাতে বলা হয়েছে।
ভোটে না আসার অধিকার আছে উল্লেখ করে ইসি আনিছুর বলেন, তবে অন্যকে ভোটে বাধা দেওয়া যাবে না। ভোটে বাধা দিলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ সময় প্রশাসনে আরও বদলি আসছে বলে জানান ইসি আনিছুর।
ভোট প্রতিরোধ করার কারও অধিকার নেই উল্লেখ করে মো. আনিছুর রহমান বলেন, ভোট প্রতিহত যারা করতে চায়, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।
এদিকে ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ শনিবার সাংবাদিকদের বলেছেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের প্রচারে বাধা দিলে কঠোর হবে নির্বাচন কমিশন। প্রয়োজনে প্রার্থিতা বাতিল করা হবে।
অশোক কুমার বলেন, আচরণবিধি পালনে নির্লিপ্ততার অভিযোগে ঝিনাইদহ-১ আসনের শৈলকূপা ও হরিনাকুন্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এদিকে আজ শনিবার বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, কোনো সেন্টারে কারচুপি হলেই ওই সেন্টারে ভোট বন্ধ করে দেওয়া হবে।
সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, নির্বাচনে পক্ষপাতীত্বের কোনো সুযোগ নেই। অনেকে বলেন প্রশাসন সরকারি দলের পক্ষপাতিত্ব করে। এটা আসলে সঠিক নয়। সবাই সচেতন থাকলে এবং চোখ–কান খোলা রাখলে এটা বোঝা যাবে।
সিইসি বলেন, ‘নানা কারণে নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক হয়েছে। বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরাও এ নিয়ে কথা বলেন। আমাদের সাথেও বৈঠক হয়েছে। তাদেরও চাওয়া অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন।’
এ সময় নির্বাচনী প্রচারের বিষয়ে কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, প্রচারের সময় কিছু অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটে। নির্বাচন কমিশন থেকে এগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মতবিনিময় সভায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ করতে প্রার্থীদের সবার কাছে সহযোগিতা চান সিইসি।


বিশৃঙ্খলা করলে প্রার্থিতা বাতিল: ইসি রাশেদা
কারচুপি হলেই ভোট বন্ধ: সিইসি
স্বতন্ত্র প্রার্থীদের প্রচারে বাধা দিলে কঠোর হবে ইসি
ব্যালটে সিলের সঙ্গে স্বাক্ষর থাকবে, অবৈধ ভোট গণনা হবে না: ইসি আনিছুর
