সিরাজগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অসহযোগ আন্দোলন কর্মসূচি ঘিরে সংঘর্ষের ঘটনায় ১৩ পুলিশ সদস্য ও সাংবাদিকসহ ২২ জন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে প্রায় অর্ধশতাধিক। রোববার সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন স্থানে দফায় দফায় এ সংষর্ষ হয়।
এর মধ্যে এনায়েতপুর থানায় হামলা করে ১৩ পুলিশ সদসকে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এছাড়া রায়গঞ্জে দুর্বৃত্তদের হামলায় ৬ জন এবং সদরে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের সংঘর্ষে ৩ জন নিহত হয়।
পুলিশ হত্যার ঘটনা স্বীকার করেছে রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি বিজয় সরকার। এ ছাড়া রায়গঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা. আমিরুল ইহসান তৌহিদ বাকি নিহতের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রোববার দুপুরে আন্দোলনকারীরা এনায়েতপুর থানায় হামলা করে। এসময় থানায় অগ্নিসংযোগ করা হয়। এ ঘটনায় থানায় কর্মরত ১৩ পুলিশ সদস্য নিহত হয়। নিহত পুলিশ সদস্যদের পরিচয় বিস্তারিত জানা যায়নি। থানায় অস্ত্র লুট হয়েছে কি-না এমন তথ্যও পাওয়া যায়নি।
নিহতদের মধ্যে কয়েকজন হলো— রায়গঞ্জের ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম সারোয়ার লিটন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আল আমিন সরকার, সাবেক মেম্বর জাহাঙ্গীর আলম, সাংবাদিক প্রদীপ ভৌমিক, শিক্ষার্থী মো. সুমন, যুবদল কর্মী আব্দুল লতিফ, সিরাজগঞ্জ জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মঞ্জু হোসেন।



