বাংলা একাডেমি সম্ভবত ‘অধিক সন্ন্যাসি’র আখড়া হয়ে উঠেছে। না হলে একের পর এক এত অঘটন একটি জাতীয় তো বটেই জাতির ইতিহাসের সাথে জড়িয়ে থাকা প্রতিষ্ঠান কী করে করে! আজ পুরস্কার নিয়ে হল্লা তো, কাল বইমেলা আয়োজন নিয়ে, তো পরশু ১৯৭১ সালের ছবিকে ১৯৫২ সালের ছবি বলে চালিয়ে দেওয়া। কী একটা অবস্থা!
মাত্রই শুরু হয়েছে ভাষার মাস। তার আগে থেকেই অবশ্য বাংলা একাডেমি আলোচনায়। কী কী নিয়ে? প্রথমেই আসা যাক পুরস্কার প্রসঙ্গ।
একটা বেশ ওলট‑পালট শেষে এ বছর বাংলা একাডেমি পুরস্কার ঘোষণা করা হলো। দেখা গেল–এ তালিকায় কোনো নারী নেই। একইসঙ্গে মুক্তিযুদ্ধ গবেষণায় কোনো পুরস্কার নেই। তাহলে প্রশ্ন আসে–মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তেমন কোনো গবেষণা হয়নি তাহলে? কোনো নারীর অনুপস্থিতি আবার প্রশ্ন তোলে যে, এই যে বাংলা সাহিত্যের বিস্তৃত প্রাঙ্গনে এত এত নারী কবিতা, গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ, গবেষণা ইত্যাদি নিয়ে প্রতিনিয়ত মেতে আছেন, যাঁরা এবং যাঁদের কাজ নানাভাবে আলোচিত হচ্ছে, তাঁরা তাহলে কী করছেন? তাঁদের কি তবে নিপাতনে সিদ্ধ ধরে নিয়ে আলোচনার বাইরে রাখা হলো?
যাক, শেষ পর্যন্ত নানা বিবেচনায় একটা পুরস্কারের তালিকা আমাদের সামনে এল। তা আসতে না আসতেই আবার কেউ কেউ একটা বেশ হল্লা তৈরি করলেন। বাংলা একাডেমি ঘেরাও করার মতো ঘোষণাও এল। এটা বেশ মোক্ষম উপায় যে, তার প্রমাণ মিলল প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই। পুরস্কারের তালিকা স্থগিত করে বলা হলো–নতুন তালিকা আসছে। সে তালিকাও এল। এবং আমরা দেখলাম, সুনির্দিষ্টভাবে আপত্তি তোলা হয়েছে এমন ব্যক্তিরা বাদ পড়েছেন। একজন নিভৃতচারী লেখক সেলিম মোরশেদ নিজের নাম পর্যন্ত প্রত্যাহার করলেন। অথচ তাঁকে সম্মানিত করা গেলে একাডেমি নিজের পুরস্কারের মান নিয়ে একটু হলেও গর্ব করতে পারত হয়তো। তিনিসহ বাদ পড়েছেন মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে গবেষণার জন্য আবদুল হান্নান ও শিশু সাহিত্যে ফারুক নওয়াজ।
এখানেই শেষ নয়। মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা ও শিশু সাহিত্যে নতুন কাউকে না দেওয়ার কারণ হিসেবে ‘বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার নীতিমালা’র একটি বিধির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। পুনর্বিবেচনা করা তালিকা আলাদা বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশিত হলেও আগের তালিকাটি এখনো একাডেমির ওয়েবসাইটে স্বমহিমায় শোভা পাচ্ছে। এটি ঠিক কার ঘায়ে নুনের ছিটা দিতে–তা বোঝা যাচ্ছে না। নাকি বাদ পড়াদের কাগুজে পুরস্কার দেওয়ার এটা একটা কৌশল?
পুরস্কারের প্রথম ও দ্বিতীয় তালিকার মধ্যবর্তী সময়ে প্রকাশিত তালিকার লেখকদের অবস্থা হলো অনেকটা ‘ভিক্ষা চাই না মা কুত্তা সামলা’ দশার মতো। নিজের মানসম্মান টেকে কিনা, সেদিক নিয়েই উদ্বেগ জারি রইল নিশ্চয় তাদের মধ্যে।
পুরস্কার নিয়ে লেখকদের একাংশের প্রতিবাদের মুখে বাংলা একাডেমি শুরুতে ভাষ্য দিল–তারা নতুন তালিকা দিচ্ছে। প্রশ্ন হলো–বাংলা একাডেমির দায়িত্বপ্রাপ্তরা কি তবে নিজেদের ভারটি বুঝতে পারেননি? নাকি এই পুরস্কার বাংলাদেশের জনমনে কতটা আলোড়ন তোলে, মানুষ এই পুরস্কারের দিকে কতটা তাকিয়ে থাকে, তা বুঝতে পারেনি? নাকি লেখকদের তাঁরা আত্মসম্মানরহিত মানুষ বলে মনে করেছিলেন?
এর আগের বছর কথাসাহিত্যিক জাকির তালুকদার পদক ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। সে সময়ও বিস্তর আলোচনা হয়েছিল। তারও আগে তীব্র সমালোচনার মুখে দু‑একজনের পদক ঘোষণার পর প্রত্যাহার করা হয়েছে। এই প্রতিটি ঘটনাই বাংলা একাডেমির অবস্থান ও তার কর্মপদ্ধতি নিয়ে বড় প্রশ্নচিহ্ন এঁকে দিয়েছে।
বলে রাখা ভালো যে, আগের প্রতিটি ঘটনাই ছিল আলোচনা ও সমালোচনার আঙ্গিকে। এবার কিন্তু সেটা আরেক স্তর নেমেছে। এবার সেটা ঘেরাও বা বর্জনের হুমকি পর্যন্ত গিয়েছে। আর এই হুমকিই বাংলা একাডেমিকে তার অবস্থান থেকে নড়িয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট বলে প্রমাণিত হয়েছে। এটা কি উত্তরণ, নাকি অবনমন–তা নয়া আশার বাংলা একাডেমি ও তার নয়া কর্তৃপক্ষের বিবেচনা করা উচিত।
একইসঙ্গে বিবেচনা করা উচিত এই পুরস্কারকাণ্ডেই একাধিক ব্যক্তি কেন বাংলা একাডেমি থেকে সরে দাঁড়ালেন? বিশেষত এবারের বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারের জুরি সদস্য মোরশেদ শফিউল হাসানের পদত্যাগ ও তাঁর এ সম্পর্কিত ঘোষণাটি মনোযোগ আকর্ষণ করে। পুরস্কার নিয়ে সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ফেসবুক পোস্টের প্রসঙ্গ টেনে মোরশেদ শফিউল হাসান বলেন, “বিগত সরকারের আমলে সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে যেমন, সেভাবে এখন থেকে বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রদানের বেলায়ও লেখকের বিষয়ে গোয়েন্দা রিপোর্ট এবং তার অতীত রাজনৈতিক পরিচয় বা কার্যক্রম বিবেচনায় আনতে হবে, এমন ধারণা আমাদের কারো চিন্তায় আসেনি। আসা উচিত ছিল হয়ত!” বাংলা একাডেমি পুরস্কার পাওয়া এই গবেষক নিজের এই পুরস্কারপ্রাপ্ত তকমাটি নিয়ে গৌরবের চেয়ে বেশি বিব্রত উল্লেখ করে তিনি লিখেছেন, “সামাজিক মাধ্যমে সংস্কৃতি উপদেষ্টার পরপর দুটি পোস্ট পড়ার পরই প্রথম আমি এ বিষয়ে সচেতন হই এবং পুরস্কার পুনর্বিবেচনার কথা ওঠার পর আত্মসম্মানবোধ থেকে এবং নিজের বিচারবুদ্ধির ওপর আস্থা রেখে এই প্রক্রিয়া থেকে নিজেকে পুরোপুরি সরিয়ে নিই।”
একইভাবে বাংলা একাডেমির নির্বাহী কমিটি থেকে সরে দাঁড়ান সাজ্জাদ শরিফ। অবশ্য একাডেমির পুরস্কারে তিনি ব্যাপক প্রভাব ফেলছেন বলে অভিযোগ করেছিল পুরস্কারের প্রথম তালিকা প্রকাশের পর প্রতিবাদকারী লেখক গোষ্ঠীটি। তাঁদের দাবি ছিল-এবারের পুরস্কার নাকি সব সাজ্জাদ শরিফের বন্ধু-স্বজনেরাই পেয়েছেন। এ অবস্থায় পদত্যাগ করে সাজ্জাদ শরিফ বলেছেন, “প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলা একাডেমি এবং একাডেমির মহাপরিচালক, নির্বাহী পরিষদের পদগুলোর মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়ায় নৈতিক কারণে আমার পক্ষে এই পদে দায়িত্ব পালন করা সম্ভব নয়। আমি পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছি।”
বুঝুন অবস্থা। বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ঘোষণার পর থেকে এখন পর্যন্ত ঘটে যাওয়া ঘটনাপ্রবাহ বলে দিচ্ছে-কিচ্ছুটি ঠিক নেই। একাডেমির নির্বাহী পরিষদ বা পুরস্কারের জন্য গঠিত জুরি কমিটি কোনোটিই আসলে সিদ্ধান্ত নেয় না। আমরা দেখলাম সিদ্ধান্ত নেয় সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়। এমনিতে অবশ্য সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের প্রভাব কম নয়। সে আলোচনায় একটু পরে আসা যাবে।
আশা যাক গবেষণা প্রকল্পের বিষয়ে। বেশ ঘটা করে গত ১৪ নভেম্বর তিন মাস ও এক বছর মেয়াদি গবেষণা প্রকল্পের প্রস্তাব আহ্বান করা হয়। শুধু বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ও বইমেলা আয়োজনে নিজেকে সলাজে সংকুচিত করে আনা বাংলা একাডেমির এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসিত হয়েছে। হওয়াই উচিত। মুশকিল হয়েছে–এই গবেষণা প্রকল্পে আবেদন করা গবেষকদের তালিকা হরেদরে প্রকাশ করায়। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে একাডেমির ওয়েবসাইটে ঝোলানো একটি নোটিশ থেকেই। সেখানে লেখা-'সতর্ক করণ: বাংলা একাডেমির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তালিকায় লভ্য 'গবেষণা-প্রবন্ধ' প্রস্তাবক এবং 'এক বছর মেয়াদি গবেষণা-বৃত্তি' প্রস্তাবকদের ফোনের মাধ্যমে একজন প্রতারক ব্যাংক তথ্য চেয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতারকের কথায় বিভ্রান্ত না হবার জন্য প্রস্তাবকদের অনুরোধ জানাই। উল্লেখ্য, বিশেষজ্ঞ-পরীক্ষকদের মূল্যায়নের ভিত্তিতে নির্বাচিত প্রস্তাবকদের তালিকা বাংলা একাডেমির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে এবং পত্রের মাধ্যমে জানানো হবে।'
এই নোটিশ বলে দিচ্ছে তিন মাস ও এক বছর মেয়াদি গবেষণা প্রকল্পের জন্য যারা আবেদন করেছিলেন, তাদের তথ্য প্রকাশ করা হয়েছিল। কী তথ্য? এ সম্পর্কিত লিংকটি এখন আর সক্রিয় নয়। তবে নোটিশ আকারে গবেষণার আবেদন করা গবেষকদের নাম-পরিচয় এবং গবেষণার শিরোনাম ছিল। অবশ্য প্রতারক চক্রের নজরে পড়বার মতো যথেষ্ট সংবেদনশীল তথ্য সেখানে ছিল-এটা নিশ্চিত করেই বলা যায়, যা খোদ একাডেমির সতর্কবার্তাতেই স্পষ্ট।
কথা হলো, গবেষণা প্রস্তাব আহ্বান করে তার প্রস্তাবকদের তালিকা প্রকাশ করা কতটা যৌক্তিক, যা এমনকি এখনো যাচাই-বাছাইয়ের ধাপও পার হয়নি? গবেষকদের সংবেদনশীল তথ্যের প্রতি বাংলা একাডেমি কি শ্রদ্ধাশীল নয়? বলা হতে পারে যে, তালিকাটি তো এখন প্রকাশ্যে নেই। হ্যাঁ, এ সম্পর্কিত লিংকটি কাজ করছে না। কিন্তু প্রতারক চক্রের কাছে তো তথ্যটা চলে গেছে। একাডেমি যদি বলেও যে, তারা স্বচ্ছতার জন্য এটা করেছে, তবে তার স্বচ্ছতা-জ্ঞানই প্রশ্নসাপেক্ষ।
ফলে বাংলা একাডেমির দায়িত্বজ্ঞান তো দূর, কাণ্ডজ্ঞান নিয়েই প্রশ্ন উঠছে গুরুতরভাবে।
আসা যাক নির্বাহী পরিষদ প্রশ্নে। বাংলা একাডেমির নীতিমালা অনুযায়ী একাডেমির নির্বাহী পরিষদ ১৯ জন নিয়ে গঠিত হওয়ার কথা। এর মধ্যে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা, ইংরেজি, বিজ্ঞান ও ভাষাতত্ত্ব অনুষদ থেকে সরকার মনোনীত একজন করে চারজন অধ্যাপক, একজন বিজ্ঞানী, একজন তথ্যপ্রযুক্তিবিদ, একজন সাহিত্যিক, একজন সমাজবিজ্ঞানী, ফেলোগণ কর্তৃক নির্বাচিত তিনজন ফেলো, সাধারণ পরিষদ নির্বাচিত চারজন সদস্য থাকার কথা। সঙ্গে পদাধিকারবলে মহাপরিচালক, সচিব (বাংলা একাডেমি), সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে দুজন অন্যূন যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তার থাকার কথা। পদাধিকারবলে ও সরকার মনোনীত বিষয়গুলো ঠিকঠাকই আছে। শুধু সাধারণ পরিষদ ও ফেলোগণ দ্বারা নির্বাচিত সদস্যদেরই দেখা নেই। নতুন আশার বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠা এবং তার বারবার ঘেরাওয়ের হুমকি ধমকি পেয়ে নিজেকে গুছিয়ে নেওয়ার চেষ্টার মধ্যে অন্তত এই চেষ্টাটির দেখা মেলেনি।
আসা যাক সর্বশেষ আলোচনায়। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময়কালের একটি ছবি দাবি করে প্রচার করে দেওয়া হলো। সামাজিক মাধ্যম থেকে শুরু করে জনপরিসরে জোর আলোচনা জমতে আর কী লাগে! আর মেলার সজ্জা? সে তো বিস্তর আলোচনার জন্ম দিচ্ছেই। কারণ, বইমেলার সজ্জায় একাত্তর উধাও প্রায়। ১৯৫২ থেকে ২০২৪–সবই আছে। শুধু নেই ’৭১। কেন? জাতীয় একটি প্রতিষ্ঠানের এমন অবস্থান আসলে কী বার্তা দেয়? এই যে অন্তর্বর্তী সরকার, তাদের ওপর একটি গোষ্ঠীর কথিত প্রভাব-এটিই কি কারণ? জামায়াত ইসলামীর ও তার ছাত্র সংগঠন ছাত্রশিবিরের যে সাম্প্রতিক ভাষ্য ও অবস্থান, এবং সেদিকে অন্তর্বর্তী সরকারের নমনীয় যে ভঙ্গি তাতে কি জাতীয় একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলা একাডেমি কোনোভাবে চাপ অনুভব করছে, নাকি প্রভাবিত হচ্ছে? কোনটি? হ্যাঁ ছবিটি পরে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই সরিয়ে নেওয়া আর কতবার হবে? মাত্র এই কয়েকদিনে কতবার নিজ অবস্থান থেকে সরে দাঁড়াল বাংলা একাডেমি। এভাবে সরতে সরতে একেবারে খাদে গিয়ে পড়বে না তো? তেমনটি হলে কিন্তু এই দেশের ও জনজীবনের সাথে জড়িয়ে থাকা ইতিহাস ও ঐতিহ্যের একটা বড় সূতো মুখ থুবড়ে পড়বে।
যে বাংলা একাডেমির লড়বার কথা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসকে সামনে রেখে এই ভূখণ্ডের সকল ভাষাগোষ্ঠী মানুষ ও তাদের অধিকার নিয়ে, যে বাংলা একাডেমির কাঁধ এ দেশের মানুষের ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে যথাযথ সম্মানের জন্য জায়গা দেওয়ার মতো চওড়া হওয়ার কথা, সেই বাংলা একাডেমি ইতিহাস বিস্মৃত হয়ে পড়ছে কোনো কোনো ক্ষেত্রে। এটা কি বিস্মৃতি, নাকি ইচ্ছাকৃত এড়িয়ে যাওয়া? প্রশ্নটি উঠছে। বেশ গুরুতরভাবেই উঠছে। কোনো উত্তর কি আছে বাংলা একাডেমি এবং তার অভিভাবক সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়? কোনো উত্তর কি আছে জনাব সরয়ার ফারুকী এবং মোহাম্মদ আজম, যাদের পদায়নে সাংস্কৃতিক ও সাহিত্যিক পরিমণ্ডলের প্রায় সবাই আশান্বিত হয়েছিল? নাকি আপনাদের আঁটুনিকসুনিই সার?
লেখক: উপবার্তা সম্পাদক, ডিজিটাল বিভাগ, ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন
[এই মতামত লেখকের নিজস্ব। এর সঙ্গে ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের প্রাতিষ্ঠানিক সম্পাদকীয় নীতিমালার কোনো সম্পর্ক নেই।]


পদের অসম্মানে পদ ছাড়লেন সাজ্জাদ শরিফ
৩ জনকে বাদ দিয়ে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারের নতুন তালিকা
