‘বিরতিহীন’ গণপিটুনি কীসের ইঙ্গিত দেয়?

আপডেট : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৮:১২ পিএম

আমাদের দেশে চলা কিছু বাসের গায়ে লেখা থাকে ‘বিরতিহীন’। মূলত কোনো স্টপেজ না দিয়েই যে সেসব বাস চলে এবং যাত্রীরা তাতে সওয়ার হয়ে যে দ্রুততম সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন, এমনটা বোঝাতেই এই বিশেষ শব্দের ব্যবহার প্রচলিত। ঠিক তেমন অবস্থাই এখন দেখা যাচ্ছে গণপিটুনির ক্ষেত্রে। এ দেশে হুট করেই যেন বেড়ে গেছে গণপিটুনি এবং প্রতি মাসেই বেশ আশঙ্কাজনক হারে ঘটছে এটি। কিন্তু এমন ‘বিরতিহীন’ ও ধারাবাহিক গণপিটুনি আসলে কীসের ইঙ্গিত দেয়?

এর আগে গণপিটুনির ঘটনা দেশে কী হারে ঘটছে, সেদিকে একটু নজর দেওয়া যাক। মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) এ বছরের ৩১ জানুয়ারী একটি পরিসংখ্যান দিয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের গণপিটুনির ধারাবাহিকতা ২০২৫ সালের প্রথম মাসেও দেখা গেছে। জানুয়ারি মাসে অন্তত ২১টি গণপিটুনির ঘটনা ঘটেছে, যেখানে ১২ জন নিহত ও ১৮ জন গুরুতরভাবে আহত হয়েছে। গণপিটুনির শিকার ২০ জনকে আহতাবস্থায় পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। এমএসএফ মনে করে, চলতি সময়ে গণপিটুনির সংখ্যা আশংকাজনক বেড়ে যাওয়ায় জনমনে নিরাপত্তা বোধের বিষয়টি প্রশ্নাতীতভাবে ভাবিয়ে তুলেছে। আইন অবজ্ঞা করে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করা অবশ্যই ফৌজদারী অপরাধ যা বিচারবর্হিভূত হত্যাকান্ড হিসেবেই গণ্য করা হয়ে থাকে। গণপিটুনির সাথে জড়িত অপরাধীদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা আইন শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব।

২০২৪ সালের কথা এখানে এসেছে। কী অবস্থা ছিল গত বছর? এক্ষেত্রে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০২৪ সালে গণপিটুনির ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১২৮ জন। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগেই নিহত হয়েছেন ৫৭ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৭ জন, খুলনা বিভাগে ১৪ জন, বরিশাল বিভাগে ৭ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৫ জন, রংপুর বিভাগে ৫ জন এবং সিলেট বিভাগে ৪ জন নিহত হয়েছেন। আর ২০২৩ সালে গণপিটুনিতে নিহত হয়েছিলেন ৫১ জন। অন্যদিকে এমএসএফ–এর হিসাব অনুযায়ী, ২০২৪ সালে গণপিটুনিতে ১৪৬ জন নিহত হয়েছেন।

আরও পড়ুন:

এসব পরিসংখ্যানে একটি বিষয় স্পষ্ট যে, ২০২৩ সালের তুলনায় ২০২৪ সালে গণপিটুনির হার আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। মাসভিত্তিক পরিসংখ্যানগুলো আতস কাঁচের নিচে নিলে দেখা যাবে, গত বছরের আগস্ট মাস থেকে গণপিটুনির সংখ্যা দ্রুত গতিতে বাড়তে থাকে। এমএসএফ–এর হিসাব অনুযায়ী, গত বছরের জুন, জুলাইয়েও যেখানে যথাক্রমে ৩ ও ৭টি গণপিটুনির ঘটনা ঘটেছিল, সেখানে আগস্ট থেকে এই সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে ২০–এর ওপরে চলে যায়। এবং এ বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত অনেকটা কাছাকাছি হারেই গণপিটুনির ঘটনা ঘটছে। এ কারণে আহত–নিহতের ঘটনাও ঘটছে বেশ। শুধু ২০২৩ সালের সঙ্গে তুলনা করলেই দেখা যাবে, এক বছরের ব্যবধানে গণপিটুনি সংক্রান্ত নিহতের হার ১০০ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে। এতেই বর্তমান অবস্থা আন্দাজ করা যায় অনেকটা। ২০২৪ সালের গণপিটুনির ঘটনাগুলো সম্পর্কে আইন ও সালিশ কেন্দ্র তাদের প্রতিবেদনে বলছে, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তথাকথিত ‘মব জাস্টিস’-এর নামে মানুষকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনাগুলো ছিল উদ্বেগজনক।  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে এক তরুণকে পিটিয়ে হত্যার বিষয়টি সমালোচনার ঝড় তোলে। চলমান পরিস্থিতিতে পিটিয়ে হত্যা বা মব জাস্টিসের মতো ঘটনার সঙ্গে রাজনৈতিক দলের পদধারী নেতা ও কর্মীরা হত্যাকাণ্ডের শিকার হচ্ছেন।’

প্রতীকী ছবি

গণপিটুনি আসলে কেমন ক্রিয়া? সাধারণত অনেক মানুষ জোটবদ্ধ হয়ে এক বা একাধিক ব্যক্তিকে একই উদ্দেশে পেটায় এই প্রক্রিয়ায়। অর্থাৎ, এই পিটুনি এক ধরনের শাস্তি প্রদান প্রক্রিয়া। প্রচলিত কোনো আইনের তোয়াক্কা না করেই, সমাজের মানুষ গোষ্ঠীবদ্ধ হয়ে এমন শাস্তি প্রদান করে থাকে। অর্থাৎ, সভ্য সমাজে যেখানে আইনের আওতায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়, অভিযোগপত্র গঠন হয়, আদালতে বিচার হয় এবং এসবের সর্বশেষ ধাপ হিসেবে দোষী সাব্যস্ত হলে আনুষ্ঠানিক শাস্তি প্রদান করা হয়। এতে অভিযোগকারী ও অভিযুক্ত এক ধরনের সমান সুযোগ পায়। কিন্তু এসব প্রক্রিয়াকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সম্পাদিত হয় গণপিটুনির মতো কর্মকাণ্ড। এটি এক ধরনের ‘মব জাস্টিস’। কিছু মানুষ গোষ্ঠী বা জোটবদ্ধ হয়ে নিজেরাই শাস্তি প্রদান করে, সেটি দোষ থাকুক বা না থাকুক। অনেক ক্ষেত্রে সন্দেহের বশেও এমন কর্মকাণ্ড ঘটে। এবং সব ক্ষেত্রেই গণপিটুনির মতো মব জাস্টিস অবৈধ এবং এটি এক ধরনের হত্যাকাণ্ড। যদিও মবের সঙ্গে জাস্টিস শব্দটি আদৌ যায় কিনা, এ নিয়েও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মধ্যে ব্যাপক বিতর্ক রয়েছে। অনেক বিশেষজ্ঞই মবের সঙ্গে জাস্টিস শব্দটি বসাতে রাজি নন। তারা বলেন, এর চেয়ে মব ভায়োলেন্স বলা যুক্তিযুক্ত। কারণ এটিও অপরাধ।  

বাংলাদেশে যখন এক বছরের ব্যবধানে গণপিটুনি বা মব ভায়োলেন্সের ঘটনায় মৃত্যুর হার শত ভাগ বেড়েছে, ঠিক সেই সময়ই এক আশ্চর্য উদাহরণ সামনে চলে আসে। উদাহরণ হিসেবে হাজির হওয়া সেই দেশটির নাম উগান্ডা। সুইডেনের ইউনিভার্সিটি অব গোথেনবার্গে ২০১০ সালে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছিল। শিরোনাম ছিল, ‘MOB JUSTICE: A qualitative research regarding vigilante justice in modern Uganda’। এর লেখক ছিলেন রবিন গ্লাড, আসা স্টর্মবার্গ ও অ্যান্টন ওয়েস্টারলান্ড। সেই গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে যে, ২০০৭ সালে উগান্ডায় মব জাস্টিসে নিহত হয় ১৮৪ জন। কিন্তু ২০০৮ সালে, মাত্র ১ বছরের ব্যবধানে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩৬৮ জনে। অর্থাৎ মব জাস্টিসে নিহতের পরিমাণ বেড়ে গিয়েছিল প্রায় ১০০ শতাংশ। ২০০৮ সালে প্রতি মাসে গড়ে ৩০ জন মানুষ মরে মব জাস্টিসের কারণে। উগান্ডার পুলিশের দেওয়া সরকারি হিসাব এটি। এর বাইরে আরও কতজন নিহত হয়েছে, তা অজানাই রয়ে গেছে। এবং এই অজানাতে লুকিয়ে থাকা আরও হতাহতের শঙ্কা বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। কয়টা খবর আর সংবাদমাধ্যমে আসে?

আরও পড়ুন:

উগান্ডার মব ভায়োলেন্স নিয়ে ঢের গবেষণা হয়েছে। এসব গবেষণা থেকে মব জাস্টিস বা ভায়োলেন্স সৃষ্টির কারণ সম্পর্কেও ধারণা মেলে। গবেষকেরা এক্ষেত্রে কিছু কারণ বের করেছেন। তারা বলছেন, মব জাস্টিস জন্মের অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে অকার্যকর বিচার বিভাগ। এই বিভাগের ওপর যখন সাধারণ মানুষ আস্থা হারিয়ে ফেলে, কোনোভাবেই যখন প্রচলিত ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থায় বিশ্বাস ফেরাতে পারে না, তখনই মব নিজেরাই জাস্টিস প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু করে। এছাড়া যখন সরকার আইন প্রয়োগের মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হয়, তখনও মব জাস্টিস দেখা যায়। এই আইন প্রয়োগহীনতার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গবেষকেরা বলছেন, যখন মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে, তখনই তারা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্ররোচনা পায়। এই নিরাপত্তাহীনতা তখনই প্রবল হয়ে ওঠে যখন আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকা আনুষ্ঠানিক বাহিনী এক অর্থে অকার্যকর হয়ে যায়। অর্থাৎ, এসব বাহিনীর নিষ্ক্রিয়তা বা নিষ্ক্রিয় করে ফেলার কারণেই নিরাপত্তাহীনতার জন্ম হয়। এক্ষেত্রে সরকারের কর্মনৈপুণ্যহীনতাকেও কাঠগড়ায় তোলা হয়। সুতরাং, একটি বিষয় স্পষ্ট যে, প্রচলিত সরকার ব্যবস্থা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিচার বিভাগের ব্যর্থতাই মোটা দাগে মব জাস্টিস বা ভায়োলেন্স সৃষ্টির অন্যতম কারণ।  

আরও পড়ুন:

উগান্ডা অবশ্য গত কয়েক বছরে ২০০৭-০৮ সালের মব ভায়োলেন্সের ওই প্রবল ধারা থেকে নিজেদের কিছুটা হলেও সরিয়ে আনতে পেরেছে। এর পেছনে যেমন সরকারি সদিচ্ছা ছিল, তেমনি নানা ধরনের গবেষণাও চলেছে। ইন্টারনেটে এ নিয়ে একবার সার্চ দিলেই বোঝা যাবে তা। অথচ বাংলাদেশে যেখানে তেমন আশঙ্কাজনক হারই দৃশ্যমান, সেখানে সরকারি পর্যায়ে এ নিয়ে দুশ্চিন্তা সেভাবে দৃশ্যমান নয়। গণপিটুনির মতো মব ভায়োলেন্সে মৃত্যু যেখানে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতীক, সেখানে এ দেশের জাতীয় মানবাধিকার কমিশনই সক্রিয় নয় প্রায় তিন মাস ধরে! গত নভেম্বরে তৎকালীন কমিশনের সবাই পদত্যাগ করেছিলেন। এরপর আর কমিশনই সেভাবে দৃশ্যত কাজ করছে না। এ সংক্রান্ত পরিসংখ্যানও এই সংস্থা থেকে পাওয়া যাচ্ছে না। তাহলে আর মানবাধিকার রক্ষা নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে গলা ফাটানোর কাজটি করবে কে? সরকারকে চাপেই বা রাখবে কোন জাতীয় সংস্থা?

প্রতীকী ছবি

গণপিটুনির মতো মব ভায়োলেন্স নিয়ে যেসব আন্তর্জাতিক গবেষণা হয়েছে, সেসবে এটি স্পষ্ট যে, গণপিটুনির মতো মব ভায়োলেন্সের ঘটনা কমাতে হলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিতেই হবে। এগুলো কম–বেশি বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও সত্য। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি যে ঘটাতেই হবে, সেটি বোঝার জন্য এত বিশেষজ্ঞ হতে হয় না। তবে সেই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আদালতের প্রতি জনমানুষের আস্থা ফেরাতে দুর্নীতির পরিমাণ কমিয়ে আনতে হবে। একইসঙ্গে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ঘটার পর সেগুলো সামাল দিতে হবে স্বচ্ছ উপায়ে। বিদ্যমান বিচার ব্যবস্থাকে স্বচ্ছ ও গতিশীল করতেই হবে। সেই সঙ্গে অপরাধমূলক কর্মকান্ডের ক্ষেত্রে যেসব আইনি প্রক্রিয়া কার্যকর থাকে, সেসব সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে শিক্ষিতও করে তুলতে হবে। নাগরিক বানাতে হলে জনসাধারণকে নাগরিক হওয়ার শিক্ষাও দিতে হবে।

তবে বাংলাদেশের বর্তমান এই অবস্থা নিয়ে আসলে সরকারিভাবে কতটা চিন্তা–ভাবনা চলছে? হ্যাঁ, আলোচিত ঘটনা ঘটলে কিছু ‘নীতিবাক্য’ আমরা পাচ্ছি বটে, পাচ্ছি বিচার নিশ্চিতের আশ্বাসও। অবশ্য এসবে কিন্তু অন্তত গণপিটুনির ঘটনার হারে খুব বেশি তারতম্য দেখা যাচ্ছে না। পরিসংখ্যান তাই বলছে। এর অর্থ হলো—আশ্বাসে আদতে সুফল সেভাবে মিলছে না। অথচ একমাত্র নীতিনির্ধারকদের ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নেওয়া সঠিক পদক্ষেপেই গণপিটুনির ঘটনা কমে আসতে পারে। এখন তারা তা দ্রুত বুঝতে পারলেই হয়! নইলে কিন্তু শেষে তারাপদ রায়ের কবিতার মতো করেই আক্ষেপে ভারাক্রান্ত হয়ে বলতে হবে, ‘…আমাদের সর্বনাশ হয়ে গেছে’!

লেখক: উপবার্তা সম্পাদক, ডিজিটাল বিভাগ, ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন


[এই মতামত লেখকের নিজস্ব। এর সঙ্গে ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের প্রাতিষ্ঠানিক সম্পাদকীয় নীতিমালার কোনো সম্পর্ক নেই।]

আরও পড়ুন:

সমাজের চোখে শিক্ষার্থী কী? এক কথায়, ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ। একদিন তারা সমাজ গড়বে, রাজনীতি বলুন, অর্থনীতি বলুন, কিংবা চিকিৎসা-সশস্ত্রবাহিনী-প্রশাসন বলুন… পুরো সমাজের নেতৃত্ব দেবে, এই স্বপ্ন দেখে বলেই তো...
নারীদের ছাড়া এ দেশে কোনো আন্দোলন হয়নি। সর্বশেষ চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানেও নারীরা সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন, লড়েছেন। কিন্তু তারপর? রাজনীতিতে আসা নারীকে লক্ষ্যবস্তু করে কুরুচিকর সব বক্তব্য দেওয়া কি...
এখনও যদি ভিন্নমত দমন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, সামাজিক বিভাজন ও সম্প্রীতি নষ্টের মতো গুরুতর প্রশ্ন ওঠে, তাহলে ফ্যাসীবাদী সরকারের পতন হলেও রাষ্ট্রযন্ত্রের চরিত্রে কতটা ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে? তবে...
বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যায় বর্তমানে পুরুষের তুলনায় নারীর সংখ্যা বেশি। সেই ২০২২ সাল থেকেই বেশি। একটি দেশের অর্ধেকের বেশি জনগোষ্ঠীকে জোরপূর্বক বিতর্কিত করে, দমন করার চেষ্টা করে, কেবলই পুরুষের যৌনবস্তু...
বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হওয়ার আগে ফ্রান্স কোচ দিদিয়ের দেশম স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এই ম্যাচ খেলতে তাদের তেমন কোনো আগ্রহ নেই। তবে জাতীয় দলের দায়িত্বের...
গত বছরের ২৭ মে তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনকে গ্রেপ্তার করে সেনাবাহিনী। আরও গ্রেপ্তার হয় তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী মোল্লা মাসুদ, শ্যুটার আরাফাত ও শরীফ। ২৪ এর ৫ আগস্টের পর একের পর এক হত্যাকাণ্ডে...
আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ এবং পর্যায়ক্রমে সারা দেশে আন্তর্জাতিক মানের ১০টি স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী...
সংবাদ সম্মেলনে মেজর ফারহান মাহমুদ মোক্তাদা জানান, চক্রটি সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নাম-ছবি ব্যবহার করে অবৈধ সুবিধা আদায়ের অপচেষ্টা চালাচ্ছিল। গ্রেপ্তারকৃতের কাছ থেকে ১টি মাইক্রোবাস, ৭টি মোবাইল...
লোডিং...
পঠিতনির্বাচিত

এলাকার খবর