সাধারণ খির তো আমরা প্রায়ই খাই। কিন্তু খিরের ভেতরে যখন যোগ হয় ক্যারামেলের মিষ্টি ঘ্রাণ, তখন তার স্বাদই হয়ে ওঠে একেবারে অন্য রকম। সঙ্গে যদি থাকে মচমচে পাফড্ পুরি, তবে সকালের নাশতা থেকে শুরু করে বিকেলের আড্ডা, যেকোনো মুহূর্ত হয়ে উঠতে পারে উৎসবমুখর। আজ রইল এমনই এক মজার রেসিপি।
ক্যারামেল খিরের জন্য যা লাগবে
- দুধ দেড় লিটার
- পোলাওয়ের চাল ১/২ কাপ (ধুয়ে ভিজিয়ে রাখা)
- চিনি ১/২ কাপ বা স্বাদমতো
- পানি ১ টেবিল চামচ
- এলাচ ৩টি (ভাঙা)
- ক্রিম ৩/৪ কাপ
- পেস্তা কুচি ২ টেবিল চামচ
- বাদাম কুচি ২ টেবিল চামচ
- কিশমিশ ২ টেবিল চামচ
- সাজানোর জন্য আরও পেস্তা, বাদাম, নারকেলের গুঁড়া আর শুকনো গোলাপের পাপড়ি।

পাফড্ পুরির জন্য যা লাগবে
- ময়দা ২ ও ১/২ কাপ
- গমের আটা ১/২ কাপ
- সুজি ১ টেবিল চামচ
- গুঁড়া চিনি ১ চা-চামচ (ঐচ্ছিক)
- লবণ ১ চা-চামচ
- ঘি ১ টেবিল চামচ
- কুসুম গরম পানি ৩/৪ কাপ বা প্রয়োজনমতো
- ভাজার জন্য তেল।
যেভাবে বানাবেন
ক্যারামেল খির বানাতে প্রথমে কড়াইতে দুধ ফুটিয়ে নিন। এবার ভিজানো চাল দিয়ে দিন, কম আঁচে নেড়েচেড়ে রান্না করুন। চাল নরম হয়ে এলে হালকা চটকে নিন। অন্যদিকে একটি সসপ্যানে চিনি ও সামান্য পানি দিয়ে ক্যারামেল বানিয়ে নিন। চিনির রং বাদামি হলেই বুঝবেন হয়ে গেছে। এই ক্যারামেল দুধে মিশিয়ে দিন। এরপর এলাচ, ক্রিম যোগ করে নেড়ে নিন। কয়েক মিনিট ঘন করে রান্না করে নিন। শেষে কিশমিশ, বাদাম ও পেস্তা মিশিয়ে সার্ভিং বাটিতে তুলে সাজিয়ে ফেলুন।
এবার পাফড্ পুরি বানানোর পালা। তার জন্য একটা বড় বাটিতে ময়দা, আটা, সুজি, লবণ, চিনি আর ঘি মিশিয়ে নিন। অল্প অল্প পানি দিয়ে মেখে ডো বানিয়ে নিন। ১৫ মিনিট ঢেকে রেখে আবার মেখে নিন। ছোট ছোট বল কেটে বেলে নিন। গরম তেলে পুরিগুলো ছেড়ে দিন। হালকা চাপ দিলেই পুরি ফুলে উঠবে। সোনালি রঙ হলে নামিয়ে ফেলুন।
পরিবেশন
গরম গরম পাফড্ পুরির সঙ্গে ঠান্ডা বা হালকা গরম ক্যারামেল খির পরিবেশন করুন। এক কামড় পুরি, এক চামচ খির, দু’য়ের মিশ্রণে মুখে মিশে যাবে এক অন্য রকম আনন্দ।


খুব সহজে বানাতে পারেন মজার পিজ্জা, রইল রেসিপি
রেস্তোরাঁর মজার পাস্তা বানাতে পারেন বাড়িতে, রইল রেসিপি
