বেসরকারি ফলাফলে পিরোজপুরের তিনটি আসনের দুটিতে বিএনপি এবং একটিতে জামায়াত প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। জেলা কন্ট্রোল রুম থেকে সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী ফলাফল ঘোষণা করেন জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আবু সাঈদ।
পিরোজপুর-১ (সদর-নাজিরপুর-ইন্দুরকানী) আসনে ১৬৭টি ভোটকেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে সাবেক এমপি প্রয়াত মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–এর প্রার্থী মাসুদ সাঈদী বিএনপি প্রার্থীর চেয়ে ২৫ হাজার ৫৫৪ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। মাসুদ সাঈদী পেয়েছেন ১ লাখ ৩২ হাজার ৬৫৯ ভোট। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আলমগীর হোসেন পেয়েছেন ১ লাখ ৭ হাজার ১০৫ ভোট। এ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৮৭ হাজার ৯৮৭ জন। এর মধ্যে বৈধ ভোট দিয়েছেন ২ লাখ ৩৯ হাজার ৭৬৪ জন।
পিরোজপুর-১ আসনে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৪ জন এবং ‘না’ ভোট দিয়েছেন ৬৩ হাজার ৫৮ জন।
পিরোজপুর-২ (ভান্ডারিয়া-কাউখালী-নেছারাবাদ) আসনে ১৬৬টি কেন্দ্রের ফলাফলে ভান্ডারিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর সুমন ১ লাখ ৫ হাজার ১৮৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর শামীম সাঈদী পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৮৯৭ ভোট। ৮ হাজার ২৮৮ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর। এ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫ হাজার ৩০২ জন। এর মধ্যে বৈধ ভোট দিয়েছেন ২ লাখ ৩০ হাজার ২৩৮ জন।
পিরোজপুর-২ আসনে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন ৬২ হাজার ২৩৩ জন এবং ‘না’ ভোট দিয়েছেন ২৭ হাজার ৭৬৫ জন।
পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া) আসনে ৮৫টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে বিএনপির মো. রুহুল আমিন দুলাল ৬৩ হাজার ৭৯১ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের এনসিপির (শাপলাকলি) প্রার্থী ড. শামীম হামিদী পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৬১৬ ভোট। সাবেক এমপি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ–এর প্রার্থী মো. রুস্তুম আলী ফরাজী (হাতপাখা প্রতীক) পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৯৬৮ ভোট। বিএনপির মো. রুহুল আমিন দুলাল ২৭ হাজার ১০৫ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। এ আসনে মোট ভোটার ২ লাখ ৩৭ হাজার ৭৪৪ জন। এর মধ্যে বৈধ ভোট দিয়েছেন ১ লাখ ৩৬ হাজার ৯৮৭ জন।
পিরোজপুর-৩ আসনে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন ৮৪ হাজার ৪৫৭ জন এবং ‘না’ ভোট দিয়েছেন ৪৩ হাজার ৩৬৫ জন।



