দীর্ঘদিন সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বরগুনায় ভেঙে পড়েছে শতাধিক আয়রন ব্রিজ। প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। বাড়ছে প্রাণহানি। স্থানীয়রা দ্রুতই নতুন ব্রিজ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। এলজিইডি বলছে, ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজের তালিকা হয়েছে। অনুমোদন পেলেই কাজ হবে।
গ্রামীণ জনপদের যাতায়াত সুবিধা বাড়াতে ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে বরগুনার বিভান্ন এলাকায় নির্মাণ করা হয় ৩ শতাধিক আয়রন ব্রিজ। তবে দীর্ঘদিন সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ভেঙে পড়েছে শতাধিক ব্রিজ। অনেকগুলোই পরিণত হয়েছে মৃত্যুফাঁদে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই ভেঙেপড়া ব্রিজগুলো সংস্কারে স্থায়ী কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। কয়েক জায়গায় তৈরি করা হয়েছে বাঁশের সাঁকো। এতে দুর্ভোগে পড়ছেন স্থানীয়রা।
ব্রিজ ভেঙে পড়ায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে কৃষকরা। উৎপাদিত কৃষিপণ্য পরিবহনে বাড়ছে সময় ও খরচ।
এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মেহেদি হাসান খান জানান, ভেঙে পড়া ও ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজগুলোর তালিকা তৈরি করা হয়েছে। অনুমোদন পেলে সংস্কার কাজ শুরু করার কথা জানান তিনি।
২০২৪ সালে আমতলীতে একটি আয়রন ব্রিজ ভেঙে মাইক্রোবাস খালে পড়ে একই পরিবারের সাতজন নিহত হন। সেই ঘটনার আতঙ্ক এখনও কাটেনি স্থানীয়দের।



