দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাদারীপুর–৩ আসনের প্রার্থী ছিলেন নকুল কুমার বিশ্বাস। তিনি কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ থেকে গামছা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেন। কিন্তু রোববার অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে তিনি ২৬৩ ভোট পেয়েছেন। কোনো আসনে পড়া মোট বৈধ ভোটের ৮ ভাগের এক ভাগ ভোট না পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। এ কারণে নকুল কুমার বিশ্বাসের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মারুফুর রশিদ খানের ঘোষিত ফলাফল শেষে দেখা গেছে, মাদারীপুর–৩ সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী তাহমিনা বেগম পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৩৩৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের আবদুস সোবহান গোলাপ পেয়েছেন ৬১ হাজার ৯৭১ ভোট। গামছা প্রতীকে নকুল কুমার বিশ্বাসে পেয়েছেন ২৬৩ ভোট।
নকুল কুমার বিশ্বাসের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে ১৯ লাখ ফলোয়ার রয়েছে। ফেসবুকে বড় সংখ্যক ফলোয়ার থাকলেও এত কম ভোট পাওয়ায় আশ্চর্য হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা।
আরিফুর রহমান নামে এক নাগরিক বলেন, ‘তিনি ভালো কন্ঠ শিল্পী। অনেক সুন্দর সুন্দর বিয়ষকে নিয়ে গান করেন। তার গান ভালো লাগে। আমার মতো অনেকের প্রিয় শিল্পীও তিনি। তবে তাঁর নির্বাচনে যাওয়া ঠিক হয়নি। এভাবে জামানত হারাবেন সেটা কেউ ভাবেনি।’
সোমবার এক ভিডিও বার্তায় অনিয়মের অভিযোগ করেন কন্ঠ শিল্পী নকুল কুমার বিশ্বাস। তিনি ভিডিও বার্তায় জানান, তাঁকে অনেক ভোট কেন্দ্রে যেতে দেওয়া হয়নি। তাই তিনি পুনরায় নির্বাচন দাবি করেন।
জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ মারুফুর রশিদ খান জানান, মাদারীপুরে সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয়েছে। নির্বাচনে নকুল কুমার বিশ্বাস ২৬৩ ভোট পেয়েছেন। নির্বাচনের নিয়ম অনুয়ায়ী তাঁর আসনের প্রাপ্ত ভোটের হিসাব করলে দেখা যায় তিনি জামানত হারিয়েছেন।



