নাতনিকে সঙ্গে নিয়ে ভোট দিতে যান ৯২ বয়সের ছাকেয়া বেওয়া। কিন্তু ভোটকেন্দ্র গিয়ে জানতে পারেন ভোটার তালিকা থেকে তার নাম কেটে দেওয়া হয়েছে। ভোট দেওয়ার ইচ্ছা থাকলেও তা না দিতে পেরে হাতাশা প্রকাশ করেছেন স্বজনেরা।
সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সালেহা ইসহাক সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ভোটার তালিকার ২৭২ নম্বর সিরিয়ালে ছাকেয়া বেওয়ার নামের জায়গায় ‘কর্তন করা হয়েছে’ এমন লেখা দেখা যায়।
ছাকেয়া বেওয়ার নাতি রাশিদুল ইসলাম জানান, ২০১৪ সাল থেকে ভোট দেয়নি তাঁর অসুস্থ দাদি। এবার ভোট দেওয়ার ইচ্ছে পোষণ করলে তাঁকে নিয়ে ভোট কেন্দ্রে যান তারা। দীর্ঘসারি অতিক্রম করে বুথে গিয়ে দেখেন ভোটার তালিকায় তার দাদির নাম নেই।
রাশিদুল ইসলাম বলেন, হোসেনপুর ১১ নম্বর ওয়ার্ডের নিবাসী আমার দাদি। তিনি সুস্থ শরীরে হেঁটে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হওয়ার পরও তাঁর নাম পাওয়া যায়নি। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক ও উদ্বেগজনক। নাগরিকের ভোটাধিকার হরণ করা সংবিধান স্বীকৃত অধিকার লঙ্ঘনের শামিল। বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে তার সঠিক ভোটাধিকার পুনর্বহাল এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি। গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কাম্য।’
এ বিষয়ে কেন্দ্রটির প্রিজাইডিং অফিসার মাহফুজুল ইসলাম বলেন, ‘ভোটার তালিকা থেকে তাঁর নাম কর্তন করা হয়েছে। এ বিষয়ে আমাদের কিছু করার নেই। নিয়ম অনুযায়ী যেহেতু তিনি তালিকাভুক্ত নন, সেহেতু তার ভোট আমরা নিতে পারছি না। বিষয়টি আমারও খারাপ লাগছে, এরকম একজন বয়স্ক মানুষ অসুস্থ শরীরে ভোট দিতে এসেছেন কিন্তু আমরা তাকে ভোট দেওয়ার সুযোগ করে দিতে পারলাম না।’



