দুর্নীতি আর অনিয়মের কারণে থমকে আছে সিলেট এমএজি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নতুন টার্মিনাল নির্মাণকাজ। পাঁচ বছরে প্রকল্পের কাজ হয়েছে মাত্র ২০ ভাগ। এর মধ্যেই প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের যোগসাজসে অগ্রিম বিল হিসেবে ২১২ কোটি টাকা তুলে নিয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলার পর বন্ধ আছে নির্মাণকাজ।
২০০২ সালে সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রূপান্তর করা হয়। কিন্তু রিফুয়েলিং ব্যবস্থা না থাকায় সময়মত চালু করা যায়নি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট। অবশেষে সংকট সমাধানের পর ২০১৩ সালে সিলেট-লন্ডন-ম্যানচেস্টার, সিলেট-দুবাই, সিলেট-জেদ্দা-মদিনা সরাসরি ফ্লাইট চালু হয়।
সিলেট চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি খন্দকার শিপার আহমদ বলেন, ২০২০ সালে বিমানবন্দরটির সক্ষমতা বাড়াতে ২ হাজার ১১৬ কোটি ৫০ লাখ টাকার মেগা প্রকল্প শুরু হয়। ২০২৩ সালে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও, গত ৫ বছরে অগ্রগতি মাত্র ২০ ভাগ। অথচ তুলে নেওয়া হয়েছে ২১২ কোটি টাকা।
দুদক মহাপরিচালক আক্তার হোসেন বলেন, প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে শেখ হাসিনার সামরিক উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিকী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব মুহিবুল হক ও বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) চেয়ারম্যান এম মফিদুর রহমানসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক।
সিলেট অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশের (আটাব) সাবেক সভাপতি আব্দুল জব্বার জলিল বলেন, সিলেট অঞ্চলের অন্তত ২৫ লাখ মানুষ থাকেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। তাদের দীর্ঘদিনের দাবি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে সরাসরি ফ্লাইট চালুর।



